কিনশাসা: গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোর উত্তর-পশ্চিমে ফের মহামারির আকার নিচ্ছে ইবোলা। এখনও পর্যন্ত ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২৩ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে৷ ৫০০ জনের শরীরে ধরা পড়েছে এই ভাইরাসের প্রকোপ৷

বুধবার নতুন করে দুজন ইবোলায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কঙ্গোর স্বাস্থ্যমন্ত্রক৷ বিকোরো শহরে ইবোলা আক্রান্ত সন্দেহে ৫ ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করার পর, দুইজনের শরীরে ভাইরাস পাওয়া যায়। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কঙ্গো সরকারকে ১০ লাখ ডলারের সহায়তা দেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু। এছাড়া কঙ্গোতে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছেন হু-র ৫০ জনেরও বেশি চিকিৎসক৷

এনিয়ে নয় বার ইবোলা ভাইরাসের আক্রমণ হল ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে। বিবিসি জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বিকোরো শহরে দেখা দিয়েছে ইবোলা। সেখান থেকে ছড়িয়ে পড়ছে দ্রুত৷ কঙ্গোতে এর আগে ২০১৭ সালে সর্বশেষ ইবোলা সংক্রমণ দেখা গিয়েছিল। সেবার মারা গিয়েছিল চারজন। ২০১৪ সালে আফ্রিকার গিনি, সিয়েরা লিয়ন ও লাইবেরিয়ায় ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় ১১ হাজারেরও বেশি মানুষ।

১৯৭৬ সালে প্রথমবারের মতো কঙ্গোতে এ সংক্রমণ দেখা যায়। সে সময়ে কঙ্গোর নাম ছিল জায়ারে। কঙ্গোর ইবোলা নদীর নামে এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়। ইবোলা ভাইরাস ফ্রুট ব্যাট বা বাদুড়ের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ছাড়া এই ভাইরাসে আক্রান্ত বন্যপ্রাণীর মাংস খেলেও তা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।