ওয়াশিংটনঃ করোনা রুখতে ভূমিকা নিতে পারে ইবোলার ড্রাগ রেমেডিসিভির। এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি মার্কিন বিজ্ঞানীদের। যদিও এই ড্রাগ ইবোলা আক্রান্ত রোগীদের ওপর তেমনভাবে প্রভাব ফেলতে পারেনি। এমনটাই দাবি ছিল মার্কিন বিজ্ঞানীদের একাংশের।

তবে তাঁরা এখন জানাচ্ছেন, ইবোলার ক্ষেত্রে এই ওষুধ তেমনভাবে সাহায্যে না এলেও মারণ করোনা রুখতে এই ওষুধ বড়সড় ভূমিকা নিতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও প্রমাণ তাঁরা পাননি বলেই জানা গিয়েছে। এমনকি কারোর উপর পরীক্ষাও করা হয়নি।

করোনার সংক্রমণ রুখতে হাইড্রক্সি ক্লোরোকুইন প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্বের বিজ্ঞানীরা। এটি আসলে ম্যালেরিয়ার ওষুধ। শুধু বিশ্বই নয়, হাইড্রক্সি ক্লোরোকুইন কাজে আসতে পারে বলে মনে করছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চ বা আইসিএমআর। ইতিমধ্যে তাঁদের সুপারিশ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে এমন রোগীকে এই ওষুধ দেওয়া যেতে পারে। করোনার ভ্যাকসিন বানাতে ম্যালেরিয়া এবং সোয়াইন ফ্লু এর প্রতিষেধক নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন পৃথিবীর একাধিক দেশের বিজ্ঞানী।

এরই মধ্যে মার্কিন বিজ্ঞানীরা দাবি করলেন, করোনা রোধে বড় হাতিয়ার হতে পারে ইবোলার ড্রাগ রেমডিসিভির। যদিও এই ব্যাপারে এখনও কোনও স্পষ্ট প্রমাণ দিতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। এখনো পর্যন্ত গবেষণার স্তরে রয়েছে বলেই জানিয়েছেন তারা। ২০১০ সালে রেমডিসিভির ড্রাগ তৈরি করে আমেরিকার জিলেড সায়েন্স বিজ্ঞানীদের দাবি, করোনা রুখতে রেমডিসিভির ড্রাগ কাজে আসতে পারে।

ইতিমধ্যেই নাকি চার করোনা আক্রান্ত রোগীর শরীরে রেমডিসিভির ড্রাগ প্রয়োগ করে সাফল্য এসেছে বলে দাবি করেছেন জিলেড সায়েন্সের বিজ্ঞানীরা। এখনও পর্যন্ত বিষয়টি গবেষণার স্তরে রয়েছে বলেই জানিয়েছেন তারা। করোনা রুখতে রেমডিসিভির ড্রাগ কাজে আসতে বলে মনে করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু. এর অধিকর্তা ব্রুস এইলওয়ার্ড। তিনি জানিয়েছেন, করোনা রুখতে রেমডিসিভির ড্রাগ কাজে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এই ড্রাগ করোনার সংক্রমণ রুখতে পারবে বলে হু-এর আধিকারিকরাও মনে করছেন।