কিনসাসা: ফের ইবোলা হানা। আবার মৃত্যুর মিছিল শুরুর আশঙ্কায় ত্রস্ত গণতান্ত্রিক কঙ্গো। আফ্রিকার এই দেশ থেকেই ভাইরাসজনিত রোগটির সূত্রপাত। করোনাভাইরাসে বিশ্বজোড়া মৃত্যু মিছিল চলছে। এর মাঝে কঙ্গোতে ইবোলা প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এমনই জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সংস্থা (হু)।

জেনেভা হু প্রধান জানান, করোনা মহামারীর মাঝেই কঙ্গোর উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের ইকুয়াতুর প্রদেশে, ইবোলা সংক্রমণের হার উদ্বেগজনক। হু মহাপরিচালক, টেড্রস গেব্রেসাস বলেছেন, কমে করেও ৮৬জনের দেহে ইবোলা সংক্রমণের ঘটনা লক্ষ্য করা গিয়েছে।

ওয়ার্ল্ডোমিটার জানাচ্ছে, আফ্রিকার এই দেশটিতে করোনাভাইরাসের হামলা হলেও মৃত্যু তেমন হয়নি। ইবোলা সংক্রমণের অভিজ্ঞতা থাকায় প্রাথমিকভাবে কঙ্গোবাসী করোনা মোকাবিলা করতে পারেন। সাড়ে ৩ হাজারের বেশি করোনা আক্রান্ত। মৃতু হয়েছে ৬৭ জনের।

কিন্তু নতুন করে ইবোলা সংক্রমণের সংবাদ আসায় বাড়ছে উদ্বেগ। হু মহাপরিচালক জানান, কঙ্গো সরকার দ্রুততার সঙ্গে ইবোলা সংক্রমণের তথ্য সংগ্রহ করে পরিস্থিতির মোকাবিলা করছে। দেশটির বিস্তীর্ণ এলাকা যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো নয়, এতে সংক্রমণ ছড়ানোর গতি বেশি নয়।

দেশটির বিভিন্ন এলাকা একে অন্যের থেকে কমে বেশি ২৫০ কিলোমিটারের দূরত্বে। অনেক এলাকায় শুধু হেলিকপ্টার বা নৌকায় যাওয়া যায়। হু জানিয়েছেন, তাদের ১০০জন কর্মী গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোর স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সঙ্গে যৌথভাবে ইবোলা মোকাবিলায় নেমেছে।

ইবোলা ভাইরাস ভাইরাস সংক্রমণের দু থেকে তিন সপ্তাহ জ্বর, গলা ব্যথা, পেশীর ব্যথা, এবং মাথা ধরা। সাধারণতঃ এর পর গা গোলানো, বমি, এবং ডাইরিয়া হয়,সাথে লিভার ও কিডনির কর্মক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে। রক্তপাতজনিত সমস্যা শুরু হয়।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা