ইস্টবেঙ্গল -২ (র‍্যান্টি, মেন্ডি)  মুম্বই এফসি-২ ( ডায়াস, মেন্ডি)

বারাসত : মোহনবাগানের মতোই একই দশা হল ইস্টবেঙ্গলেরও৷এগিয়ে গিয়েও ব্যবধান ধরে রাখতে পারল না লাল-হলুদ৷ মুম্বই এফসি-র বিরুদ্ধে এগিয়ে গিয়েও ২-২ গোলে  ড্র করল বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্যের দল৷ এদিন মুম্বইকে হারাতে পারলে আই লিগ চ্যাম্পিয়নশিপের অনেক কাছে চলে গেল লাল-হলুদ৷ কিন্তু ম্যাচ ড্র হওয়ার পরে চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড়ে কিছুটা হলেও ধাক্কা খেল ইস্টবেঙ্গল৷
এদিন শুরুতে একটু গুটিয়ে ছিল ইস্টবেঙ্গল৷ যদিও তিন মিনিটের মাথায় সহজ সুযোগ নষ্ট করেন লাল-হলুদের র‍্যান্টি মার্টিন্স৷ তারপর আবশ্য ক্রমশ খেলা থেকে হারিয়ে গিয়েছে লাল-হলুদ৷ ১৪ মিনিটে স্টিফেন ডায়াস অনবদ্য ফ্রি-কিকে খালিদ জামিলের দলকে এগিয়ে দেন৷ এই ফ্রি-কিকের আগেও গোল পেতে পারতেন ডায়াস৷ এই গোলের দু’মিনিট আগেই আরও একটি ফ্রি-কিক মেরেছিলেন ডায়াস৷ কিন্তু সেই ফ্রি-কিক থেক অল্পের জন্য বেঁচে যায় লাল-হলুদ৷ গোল খাওয়ার পরেই বারাসতে তেতে উঠে ইস্টবেঙ্গল৷ ম্যাচের ২৪ মিনিটে ডান দিক থেকে তোলা সঞ্জু প্রধানের ক্রস থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান র‍্যান্টি৷ এই গোলের দু’মিনিট পরেই ফের গোল পেতে পারত ইস্টবেঙ্গল৷ বানার্ড মেন্ডি গোল করে লাল-হলুদকে এগিয়ে দিতে পারতেন৷ কিন্তু সোজা গোলের সুযোগ নষ্ট করেন মেন্ডি৷ বিরতির সময় ম্যাচের ফল ১-১ ছিল৷  বিরতির পরেও তেতে ছিল লাল-হলুদ৷ বিরতির পরেই সঞ্জুর পরিবর্তে বড় ম্যাচের নায়ক ডং মাঠে নামেন৷ তাতে আক্রমণেক ঝাঁঝ আরও বাড়ে৷ ৫৯ মিনিটে বানার্ড মেন্ডি গোল করে লাল-হলুদের পক্ষে ব্যবধান বাড়ান৷ কিন্তু এরপরও ম্যাচের রং বদলাতে থাকে৷ ৭৬ মিনিটে আশুতোষ মেহতা গোল করে মুম্বই এফসিকে সমতায় ফেরান৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।