সুভীক কুন্ডু, কলকাতা: ম্যাচের অতিরক্ত সময়ে লাল-কার্ড দেখায় ডার্বিতে নেই মনোজ মহম্মদ৷অ্যারোজ ম্যাচে শেষ বাঁশি বাজার আগে লাল-কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন লাল-হলুদের অনূর্ধ্ব-২২ ফুটবলার৷লাল-কার্ড ইস্যুতে অবশ্য মনোজের পাশে দাঁড়ালেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আলেজান্দ্রো৷

রেফারির ভুলের দিকে আঙুল তুলেছেন স্প্যানিশ কোচ৷বোরহাদের হেডস্যার বলেন, ‘চোট পাওয়ার পর শুশ্রুষার জন্য মাঠ ছেড়েছিল৷ পরে সাইড লাইনের রেফারি মাঠে প্রবেশ করতে বললে তবেই মাঠে ঢোকে৷ মাঠের রেফারি কেন লাল-কার্ড দিল বোঝা গেল না৷’ ডার্বিতে মনোজ না থাকায় অনূর্ধ্ব-২২ ফুটবলার নিয়ে আলেজান্দ্রোর চিন্তা বাড়ল বলা চলে৷কোচের হাতে রইল কমলপ্রীত, প্রকাশ আর বিদ্যাসাগর৷

অন্যদিকে এদিন ইন্ডিয়ান অ্যারোজের বিরুদ্ধে কষ্টার্জিত জয়ে একরাশ চিন্তা নিয়ে মাঠ ছাড়লেন লাল-হলুদের স্প্যানিশ কোচ৷ মুখে কিছু না বললেও ডার্বির ম্যাচের স্টেজ রিহার্সালে বিদেশিহীন জুনিয়ার অ্যারোজ দলের বিরুদ্ধে কোনও রকমে এক গোলে ম্যাচ জয় আলেজান্দ্রোকে স্বস্তি দিচ্ছে না৷

প্রথমার্ধে কাসিমের পোস্টে লেগে গোলের সুযোগ হাতছাড়া বাদ দিলে চোখে পড়ার মতো কিছু নেই৷গোল হলে প্রথমার্ধ নিয়ে কাটাছেঁড়া ধামাচাপা পড়ে যেত৷দ্বিতীয়ার্ধে কোলাডোর গোল না এলে ঘরের মাঠে অঘটন হওয়া ছিল শুধু সময়ের অপেক্ষা৷

গোটা ম্যাচেই চোখে চোখ রেখে দাপটের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলকে চ্যালেঞ্জ করে গেল সুনীল-জেজেদের উত্তরসূরিরা৷ লাল-হলুদের ফরোয়ার্ড লাইনের সামনে রক্ষাকবচ হয়ে লড়াই অ্যারোজ ডিফেন্সের৷জবি-কোলাডোরা শেষদিকে অবিশ্বাস্য সব মিস করলেন৷ ২২ পয়েন্ট চারে পৌঁছেও তাই চিন্তা কমল না ইস্টবেঙ্গলের৷ লাল-হলুদের বোরহা তাই ম্যাচ শেষে বলেই দিলেন, ‘কঠিন লড়াইয়ের প্রত্যাশা ছিল৷ ওরা দারুণ লড়াই করেছে৷আমরা তিন পয়েন্ট পেয়ে উতড়ে গিয়েছি৷’

এর আগে অ্যাওয়ে ম্যাচে অ্যারোজের বিরুদ্ধে ২-১ জিতেছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড৷ এবার ঘরের মাঠেও বিদেশিহীন দলটার বিরুদ্ধে জয়ের ব্যবধান সেই এক গোল৷ জুনিয়রদের বিরুদ্ধে আলো কাড়তে ব্যার্থ আলেজান্দ্রোর ছেলেরা৷ প্রথম ডার্বি জিতেছেন, এবার ফিরতি ডার্বি জিততে গেলে নতুন করে ভাবতে হবে স্প্যানিশ কোচকে৷