লখনউ: ফের শিরোনামে উত্তরপ্রদেশ। এবার যোগীরাজ্যের আজমগড়ে ঘটল এক অবাক করা ঘটনা। এক বৃদ্ধার মৃত্যুর পরে তাঁর শ্রাদ্ধের খাওয়া দাওয়ার দিন পানশালার মহিলাদের ডেকে আয়োজন করা হল নাচের অনুষ্ঠানের। এই অশ্লীল নৃত্য ঘিরেই বিতর্ক চরমে উঠেছে। এক জন মহিলা না, প্রায় ১০-১২ জন পানশালার নর্তকীকে ডেকে এই নাচের অনুষ্ঠান চলে।

উত্তরপ্রদেশের আজমগড়ের সিধারী থানার নড়ৌলী শহরে এ ঘটনা ঘটেছে। জানা গিয়েছে, ওই বৃদ্ধার বয়স হয়েছিল ১১০ বছর। শ্রাদ্ধের খাওয়া দাওয়ার দিন এই নাচের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গভীর রাত পর্যন্ত পানশালার নর্তকীদের নাচ চলে। ছোট থেকে বড় সকলেই তারিয়ে তারিয়ে ‘শোকানুষ্ঠান’ এ নাচ উপভোগ করে। এমনকি নর্তকীদের ওপরে টাকাও ওড়ানো হয়।

আরও পড়ুন – দক্ষিণ ২৪ পরগনায় জিরো করে দেব মনে রেখে দিও: আব্বাস সিদ্দিকী

গভীর রাত অবধি উল্লাস করে অনুষ্ঠান চালানোয় আশেপাশের লোকেরা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে প্রথমে জনতাকে বোঝাতে চাইলেও পরে বলপ্রয়োগ করতে বাধ্য হয় পুলিশ। এরপরেই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসে।

এখবর জানাজানি হতেই, আশেপাশের লোকেরাও দারুণ অবাক হয়ে যায়। শ্রাদ্ধের খাওয়া দাওয়ার দিনে পানশালার নর্তকী এনে অশ্লীল নাচ ঘিরে ওই এলাকায় তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, এর একটা বিহিত করা দরকার, যাতে অন্যরা কেউ এমন কাজ না করে।

আরও পড়ুন – কয়লা পাচারকাণ্ড: রাজ্যের অনুমতি ছাড়াই তল্লাশি চালাতে পারবে সিবিআই

আজমগড়ের এসপি সুধীর কুমার সিং জানান, শ্রাদ্ধের দিনে একটি নাচের ঘটনার কথা জানা গিয়েছে। খবর নিয়ে জানা গেছে, ১১০ বছরের এক বৃদ্ধার মৃত্যুর পরে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে কোন কোন আইন ভাঙা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, এখনও করোনার ভয় পুরোপুরি কাটেনি। প্রতিদিনই দেশে সংক্রামিত হচ্ছে কয়েক হাজার মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে ভ্যাকসিনেশন শুরু হলেও বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন এবছর সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কিন্তু এরই মধ্যে এই অশীল নাচ ঘিরে চরমে উঠেছে বিতর্ক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.