মুম্বই : ফের বিফ ব্যান ইস্যু উসকে উঠল৷ এবার তুললেন উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু৷ তিনি বলেছেন, যদি কেউ গোমাংস খেতে চায়, খাবে৷ কিন্তু তা নিয়ে সেলিব্রেট করার কী আছে?

আর এ পোদ্দার কলেজ অফ কমার্সে হীরক জয়ন্তী উৎসবে এসেছিলেন বেঙ্কাইয়া নাইডু৷ সেখানে তিনি বলেন, “যদি আপনি গোমাংস খেতে চান, খান৷ তা নিয়ে উৎসব কেন? যেমন কিস ফেস্টিভ্যাল৷ যদি আপনি চুমু খেতে চান, তাহলে কেন কোনও উৎসবের বা কারোর অনুমতির দরকার হবে?”

এরপর মহম্মদ আফজাল গুরুকে নিশানা করেন উপরাষ্ট্রপতি৷ বলেন, “আপনাদের কাছে আফজাল গুরু ছিল৷ মানুষ তার গুণগান করত৷ কী হল? ও আমাদের পার্লামেন্ট ওড়াতে চেয়েছিল৷”

৮ ফেব্রুয়ারি জম্মু ও কাশ্মীরে একটি উপদেষ্টামূলক অ্যালার্ট জারি করা হয়৷ পার্লামেন্ট অ্যাটাকের দায়ে দোষী মহম্মদ আফজাল গুরু এবং জম্মু ও কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্টের (JKLF) প্রতিষ্ঠাতা মকবুল ভাটের মৃত্যুদিনে এই অ্যালার্ট জারি করা হয়৷ ৯ ফেব্রুয়ারি ও ১১ ফেব্রুয়ারি আফজল গুরু ও মকবুল ভাটের ফাঁসির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার কথা ছিল JKLF-এর৷ তা রুখতেই এই অ্যালার্ট জারি করা হয়৷

২০১৩ সালে পার্লামেন্ট আক্রমণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে নয়াদিল্লির তিহার জেলে ফাঁসি দেওয়া হয় আফজল গুরুকে৷ ১৯৮৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তিহার জেলে মকবুল ভাটের ফাঁসি হয়৷

গোমাংস উত্সব সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে ২০১৭ সালের জুলাই মাসের কথা তোলেন নাইডু৷ তখন আইআইটি-মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের ভেতর একটি গোমাংস উত্সব পালন করছিল৷ গবাদি পশু হত্যা নিষিদ্ধ করার বিপক্ষে এই উৎসব করেছিল তারা৷

তবে এই প্রথম নয়৷ এর আগেও গোমাংস প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন নাইডু৷ বলেন, খাওয়াদাওয়া কোনও মানুষের ব্যক্তিগত বিষয়৷ তিনি নিজে আমিষ খান৷ আর তিনি কী খাবেন, না খাবেন, তা কেউ ঠিক করে দেয় না৷