কলকাতা: আজকাল সমাজ যেদিকে এগোচ্ছে সেখানে ছোট থেকেই ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে আত্মরক্ষা করতে না জানলে সমস্যায় পড়তেই হবে তা আর বলার বাকি রাখে না। তবে সেক্ষেত্রে দেখতে গেলে যেহেতু এখনো সমাজে মেয়েদের উপরেই নানাভাবে হওয়া হামলার পরিমাণ বেশি, তাই তাদেরকেই সবথেকে বেশি এর ব্যবহার জানতে হবে। তবে সবার আগে দরকার ঘাবড়ে না গিয়ে বা চিৎকার না করে উপস্থিত বুদ্ধির প্রয়োগ। আপনাদের জন্যে রইলো এমন কৌশল যা রপ্ত করা এতটাই সহজ যে যে কেউ তা সহজেই শিখে নিতে পারে আমাদের দেওয়া এই টিপসগুলি থেকেই।

১. যদি কেউ আচমকা আক্রমণ করে তাহলে হাতের তালুর উঁচু অংশ দিয়ে তার মাথায় জোরে আঘাত করুন। নাক, গলা, চোখ এবং মুখ খুবই স্পর্শকাতর অঙ্গ। তাই এগুলিতে আঘাত করতে পারলে হামলাকারীর হাত থেকে মুক্তি পেতে আপনার বেশি সময় লাগবে না কারণ সে সঙ্গে সঙ্গেই কাহিল হয়ে পড়বে। এরপর কনুই দিয়ে আঘাত করুন।

২. ছেলেদের সবথেকে সংবেদনশীল অঙ্গকেই আপনার হাতিয়ার বানাতে হবে আপনাকে। সেই বিশেষ স্থানে আঘাত করুন হাঁটু দিয়ে। আবার দরকারে পায়ের হিলের ব্যবহারও করতে পারেন। এটা নির্ভর করবে আপনার সঙ্গে হামলাকারীর দূরত্ব কতটা রয়েছে তার উপর।

আরো পড়ুন-  ভিডিও গেম খেলতে পারে শূকর! জেনে অবাক হলেন তো…

৩. কেউ পেছন থেকে জাপ্টে ধরলে পালাবার পথ নেই এমনটা ভাবার দরকার নেই। এতে আপনি দুর্বল হয়ে পড়বেন। এখানে আপনাকে স্কোয়াট করার মতো বসে শরীরটাকে নীচে নামিয়ে হাত দিয়ে জোরে আঘাত করতে হবে পায়ে। আবার মাতিয়ে শুয়ে পড়ে লাথিও মারতে পারেন।

৪. আপনার শরীরের সবথেকে শক্তিশালী অঙ্গ হলো কনুই। তাই এর ব্যবহার যথাযথ স্থানেই করুন। হাতটিকে একটু পেটের কাছে গুটিয়ে নিয়ে মারুন কনুই দিয়ে। নিজের দেহকে একটু নীচের দিকে ঝুকিয়ে নিয়ে সজোরে উঠে এসে কনুই দিয়ে মারুন তার গলায়।

৫. যদি সে আপনাকে মাটিতে ফেলে দেয়? তাহলেও ভয়ের কিছুই নেই। লাথি মারুন তার পেটে আর উঠে আসুন। যদি আক্রমণকারী একেবারে আপনার উপরেই থাকে তাহলে দুটো পায়েরই প্রয়োগ করুন। কোমর থেকে শরীরটাকে উঠিয়ে সজোরে আঘাত করবেন। আক্রমণকারীকে ধরাশায়ী করে দিয়ে চিৎকার করুন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.