হাওড়া: বেসরকারি সংস্থার হাতে রেলের ১৫১টি ট্রেনকে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে পথে নামল ইস্টার্ন রেলওয়ে মেনস ইউনিয়ন। বেসরকারি সংস্থার হাতে রেলের ১৫১টি ট্রেনকে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ওই মিছিল হল হাওড়ায়।

শুক্রবার দুপুরে হাওড়ায় ডিআরএম অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখান ইস্টার্ন রেলওয়ে মেনস ইউনিয়নের কর্মীরা। তাঁরা প্রতিবাদ মিছিল করেন।

উল্লেখ্য, বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া ১৫১টি ট্রেনের মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ১৫টি রুটের দূরপাল্লার ট্রেনও। গত ডিসেম্বর মাসেই এই ১৫১টি ট্রেনকে বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নীতি আয়োগ। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু সংস্থা ওই ট্রেন চালাতে আগ্রহী বলে জানা গেছে। যার ফলস্বরূপ কয়েক দিনের মধ্যেই দরপত্র প্রক্রিয়া ডাকার কাজ শুরু হতে চলেছে। এই বেসরকারিকরণের প্রতিবাদেই এদিন বিক্ষোভ হয় হাওড়ায়।

ইস্টার্ন রেলওয়ে মেনস ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অমিত ঘোষ বলেন, আমাদের দেশের সরকার এই করোনা পরিস্থিতিতেও সংবেদনশীল দৃষ্টিভঙ্গি না দেখিয়ে দেশ বিক্রি করার পরিকল্পনা নিয়েছে। রেলের অন্তর্জলিযাত্রার শেষ পেরেকটি গতকাল পোঁতা হয়েছে। ১০৯টি লাভজনক রুটে ১৫১টি ট্রেন বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হবে। আমরা ইস্টার্ন রেলওয়ে মেনস ইউনিয়নের তরফ থেকে সর্বত্র প্রতিবাদ আন্দোলন সংগঠিত করেছি। রেল বিক্রি করার সিদ্ধান্ত থেকে পিছু না হটলে আমরা পরিবার পরিজন নিয়েই এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াব। আজ থেকেই শুরু হল এই আন্দোলন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।