নয়াদিল্লি: ট্রাফিক সিগন্যালে রবীন্দ্র সঙ্গীত আগেই শোনা গিয়েছে। এবার রবি ঠাকুরের গান বাজবে লোকাল ট্রেনে। এমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল।

পূর্ব রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে ৮টি কামরায় এই গান বাজানো হচ্ছে। লোকাল ট্রেনের প্রতিটা কামরাতেই অ্যানাউন্সিং সিস্টেম রয়েছে। আর সেখান থেকেই রবীন্দ্র সঙ্গীত বাজানো হবে।

পূর্ব রেলের হাওড়া ডিভিশনে ডিআরএম সঞ্জয় কুমার সাহা এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, ভিড় ট্রেনে মানুষের মনোরঞ্জনের আর কিছু নেই। অনেক নিত্যযাত্রীকেই লম্বা পথ অতিক্রম করতে হয়। আর সেই যাত্রায় মানুষ এক প্রকার বিরক্ত হন।

মোবাইল ঘাঁটা ছাড়া আর কিছুই উপায় থাকে না। কখনও কখনও দেখা যায় নিজেদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা জড়িয়ে পড়ছেন। কিন্তু সেই জায়গাতে মানুষের মনোরঞ্জন ও একঘেয়েমি কাটাতে তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পূর্ব রেলের তরফে। পূর্ব রেলের এই সিদ্ধান্ত জানার পর স্বাভাবিকভাবেই খুশি নিত্যযাত্রীরা।

যদিও বিধানসভা নির্বাচনের আগে হঠাত্‍ করে রেলের এই সিদ্ধান্তে রাজনীতির গন্ধ পাচ্ছে শাসকদল। তাতে অবশ্য গুরুত্ব দিচ্ছে না বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যে ক্ষমতা দখলের পর ট্রাফিক সিগন্যালে রবীন্দ্র সঙ্গীত বাজানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বিষয়ে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ রায় অভিযোগ করেন, বিজেপি সরকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নকল করছে। যা মানুষ ধরে ফেলবেন। এতে মমতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরই নম্বর বাড়বে বলে মত তাঁর। এই সবকিছুই ভোটের জন্য বলেও মন্তব্য করেন অরূপ রায়।

অন্যদিকে হাওড়া জেলা বিজেপির সভাপতি সুরজিত্‍ সাহা বলেন, ‘এটা রেলের ভালো কাজ। তৃণমূল কংগ্রেস সবকিছুর মধ্যেই রাজনীতি দেখে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, কেন্দ্রের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পকে তৃণমূল সরকার নিজেদের বলে চালাচ্ছে। মানুষ তা বোঝেন।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।