কলকাতা: করোনার প্রভাব এবার ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রোয়। করোনা সংক্রমণের কারণে আপাতত টানেল তৈরির কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

সূত্রের খবর, প্রায় ৩০ জন কর্মী-আধিকারিক করোনা আক্রান্ত৷ এদের মধ্যে টানেল তৈরির ইনটার্জও রয়েছেন বলে খবর। ধর্মতলা থেকে বউবাজার অংশে মেট্রোর সুড়ঙ্গ নির্মাণের যারা কাজ করছিলেন তাদের একাংশ কর্মী-আধিকারিকই আক্রান্ত হয়েছেন৷ ফলে আপাতত টানেল খোঁড়ার কাজ বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ৷

ধর্মতলা থেকে বউবাজার অংশে যে সব কর্মী আধিকারিক কাজ দেখাশোনা করছিলেন, তাদের সংখ্যা প্রায় ১৫০ জন। এর মধ্যে কে এম আর সি এল’এর আধিকারিকদের পাশাপাশি নির্মাণ সংস্থার আধিকারিকরাও রয়েছেন। জানা গিয়েছে প্রত্যেকেই কোয়ারেনটাইনে পাঠানো হয়েছে৷ এবং টানেল সহ প্রকল্প এলাকা স্যানিটাইজ করা হয়েছে।

গত বছর মেট্রোর সুড়ঙ্গ তৈরির সময় বউবাজারে ভেঙে পড়ে একের পর এক বাড়ি। তার জেরে টানেল তৈরির কাজ আটকে যায়৷ পরে একটি টানেল খোঁড়ার কাজ শুরু হয়৷ কিন্তু লকডাউনের জন্যে সেই কাজ দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকে৷ তারপর ফের কাজ শুরু হয়৷ তবে এবার কর্মীদের একাংশ এর করোনা আক্রান্তের ফলে কাজ বন্ধ হয়ে গেল৷

অন্যদিকে কিছু দিন আগে কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি বা সিআরএস ফুলবাগান স্টেশনটি পরিদর্শন করে৷ তারপরই ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো চূড়ান্ত ছাড়পত্র পায়৷ সূত্রের খবর, কে এম আর সি এলের কাছে এই ছাড়পত্র এসে পৌঁছয়। ফলে ফুলবাগান পর্যন্ত মেট্রো চালানোর ব্যাপারে আর বাঁধা রইল না৷ এবার ফুলবাগান থেকে সেক্টর ৫ পর্যন্ত চলবে ট্রেন৷

কে এম আর সি এলের জেনারেল ম্যানেজার এ কে নন্দী তখন জানিয়েছিলেন,‘ফুলবাগান স্টেশনের ছাড়পত্র এসে গিয়েছে। কিছু জিনিস জানতে চেয়েছে সিআরএস। তা আমরা দ্রুত জানিয়ে দেব। তারপরেই লকডাউনের পর পরিষেবা চালু হলেই আমরা তা চালাতে পারব।’

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ শুভ উদ্বোধন হয়েছিল ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর৷ সল্টলেক সেক্টর ফাইভ থেকে সল্টলেক স্টেডিয়াম অবধি পরিষেবা চালু হয়ে গিয়েছিল৷ এই পথে সব কটা স্টেশনই মাটির উপরে৷ ফুলবাগান স্টেশনটি মাটির নিচে রয়েছে৷ এবার এই স্টেশন পর্যন্ত ট্রেন চলা মানে, ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো পাতালে প্রবেশ করবে৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ