দেবশ্রী মাইতি, ভূপতিনগর: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভগবান রূপে পুজো করেন পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগরের সুদর্শন রায়। বাড়িতেই লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে মুখ্যমন্ত্রীর শ্বেত পাথরের মূর্তি গড়েছেন আটাত্তর বছরের বৃদ্ধ। নিত্যদিন ভগবান রূপে সেই মূর্তিরই পুজো করেন তিনি। রীতিমতো কাঁসর-ঘণ্টা বাজিয়ে চলে পুজো-অর্চনা।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছাত্র রাজনীতির সময় থেকেই তাঁর ভাবধারায় অনুপ্রাণিত ভূপতিনগরের সুদর্শন রায়। এরপর ধীরে ধীরে প্রথমে কেন্দ্রের মন্ত্রী পরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশ্বাস, শ্রদ্ধায় ক্রমেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই ভগবানের আসনে বসিয়েছেন ভূপতিনগরের সুদর্শন রায়। প্রবল ভক্তিতে ভগবান রূপে প্রতিদিন তিনি পুজো দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

নিজের বাড়িতেই কয়েক লক্ষ টাকা খরচ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্বেত পাথরের মূর্তি তৈরি করেছেন সুদর্শন রায়। আর সেই মূর্তিকে নিয়মিত প্রতিদিন পুজো করেন তিনি। বাড়িতে গৃহদেবতার আসনেই বসিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। নিত্যদিন বাগানের ফুল দিয়ে দেবী জ্ঞানে পূজিত হন মুখ্যমন্ত্রী।

সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যায় অন্যান্য গৃহদেবতার সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও পুজো পান সুদর্শনবাবুর হাতে। কাঁসর-ঘন্টা ও শঙ্খধ্বনির মাধ্যমে পুজো চলে সুদর্শন রায়ের বাড়িতে। প্রতিবেশীরাও এই পুজো দেখতে তাঁর বাড়িতে ভিড় জমান।

ভক্তি ও শ্রদ্ধা ছিল তো আগে থেকেই। তবে বাড়িতে কয়েক লক্ষ টাকা খরচ করে বছর খানেক আগে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মূর্তি তৈরি করিয়েছেন সুদর্শন রায়। তবে সামনে থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একবার দেখতে চান তিনি। পাড়ার অনেককেই সেকথা তিনি জানিয়েছেন। কীভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কানে তাঁর এই আবদার পৌঁছে দেওয়া যায় সেব্যাপারেও খোঁজ-খবর করা শুরু করেছেন।

তৃণমূল সুপ্রিমোর প্রতি তাঁর এই অগাধ শ্রদ্ধার কথা জানিয়ে সুদর্শন রায় জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর কাছে দেবীরূপী। তাই তিনি তাঁকে ভগবান-রূপে পুজো করেন। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সরাসরি একবার দেখা করতে চান তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।