স্টাফ রিপোর্টার, কোলাঘাট: প্রেমদিবস বা ভ্যালেনটাইন ডে মানেই প্রথমেই যে ফুলটির কথা মনে আসে সেটি হল গোলাপ। কারন, উপহার হিসাবে পছন্দের মানুষটিকে বিশেষ এই দিনে একটা গোলাপ দেওয়ার চল রয়েছে সর্বত্র। পাশ্চাত্য ভাবধারা আমাদের দেশে প্রচলিত হওয়ায় যুবক যুবতীদের কাছে যতই মোবাইলে গ্রীটিংস লেনাদেনা হোক না কেন, আস্ত একটা গোলাপের গুরুত্ব রয়েছে যথেষ্ট বেশি।

আর এই বিশেষ দিন গুলিতে গোলাপ ফুলের যোগান দিয়ে থাকে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাট, পাঁশকুড়া, তমলুক সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্তের চাষিরা। গোলাপ বাদেও সারাবছর ধরে নানা ধরনের ফুল চাষ করে থাকেন তাঁরা। তবে গোটা বছর সেভাবে ফুলের দাম না পেলেও বিশেষ বিশেষ এই দিনগুলিতে ভালো দামের আশায় থাকেন চাষিরা। শুক্রবার ভ্যালেনটাইন ডে বা ভালোবাসা দিবস। তাই এদিন ফুলের দোকান গুলিতে চাহিদা অনুযায়ী ফুল সরবরাহে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন চাষিরা।

তবে এই গোলাপের প্রচলন ভ্যালেনটাইন ডে’তে দিনকে দিন বাড়তে থাকায় পরোক্ষভাবে কৃষকেরা উপকৃত হচ্ছেন। কারন, একটা মিনি পার্লে বা ডাচ গোলাপ সারাবছর যে দামে বিক্রি হয় তারতুলনায় ভ্যালেনটাইন ডে’তে গোলাপের দাম থাকে দুগুন থেকে তিন গুন। ফলে গোলাপ চাষিরা বাড়তি উপার্জনের মুখ দেখছেন এই ভ্যালেনটাইন’ডে উপলক্ষে।

আর যার কারনে গোলাপ চাষিরা এক থেকে দুদিন আগে থেকেই গোলাপ হিমঘরে রেখে দিয়েছেন। ১৪ ফেব্রুয়ারির বাজার দখলের চেষ্টা করছেন বাড়তি আয়ের আশায়।

আবার কোনও চাষি আগেরদিন বিকেল থেকেই গোলাপ বাজারে বিক্রির চেষ্টা করেছেন। লক্ষ্য একটাই, ভ্যালেনটাইনের বাজার ধরা। এমনই ছবি ধরা পড়ল পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাট ব্লকের পারুলিয়া গ্রামের কৃষক গৌরহরি গুছাইতের গোলাপ বাগানে। তবে তিনি বৃহস্পতিবার বিকেলেই বাগানে মিনিপার্লে জাতের গোলাপ কাটতে শুরু করেছেন।

রাতেই দেউলিয়া ফুলবাজারে গোলাপ বিক্রি করবেন আড়তে। এই ফুল রাতেই পাড়ি দেবে ওড়িষার ভুবনেশ্বরে। তিনি জানান,সারাবছর এই ফুলের দাম পঞ্চাশ পয়সা থেকে দেড়টাকা পিস বিক্রি হয়। তবে ভ্যালেনটাইন ডে’তে পাঁচ থেকে ছয় টাকা করে প্রতি গোলাপের দাম পাবেন। সবমিলিয়ে বেশ কয়েক বছর ধরে গোলাপ চাষিরা এইদিনটির জন্য অপেক্ষা করে থাকেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।