কলকাতা: ভুবনেশ্বরের মাটিতে আগামী ২৯ মার্চ থেকে সুপার কাপে অংশগ্রহণ করতে চেয়ে সোমবারই কার্যকরী সমিতির সভা বসেছিল ক্লাবে। সেখানে কার্যত ইনভেস্টর কোয়েস গ্রুপের কোর্টেই বল ঠেলে দিয়েছিলেন কর্তারা। সুপার কাপ ও আইএসএলে খেলতে চেয়ে কোয়েস চেয়ারম্যান অজিত আইজ্যাককে চিঠি দিয়েছিলেন ক্লাব কর্তারা। ৪৮ ঘন্টার মধ্যে চেয়ারম্যানকে সেই চিঠির উত্তর জানাতে বলা হয়েছিল।

কিন্তু ৪৮ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও চেয়ারম্যানের কোনও সদুত্তর না মেলায় বুধের সন্ধেয় সুপার কাপ নিয়ে তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ স্থির করে ফেললেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। যা কার্যত নজিরবিহীন। সুপার কাপে ইস্টবেঙ্গল অংশগ্রহণ করবে, তবে অন্য নামে। ক্লাবের অ্যাকাডেমির ফুটবলার, সন্তোষ ট্রফিতে খেলা ফুটবলার এবং কিছু লিয়েনে নেওয়া ফুটবলারদের নিয়ে তৈরি হবে ইস্টবেঙ্গল প্রেসিডেন্ট একাদশ। সেই দলই অংশগ্রহণ করবে সুপার কাপে।

আরও পড়ুন: ভারত বিশ্বকাপ জিতলেও শাস্ত্রীর চাকরি পাকা নয়

লাল-হলুদ কর্তা দেবব্রত সরকারের কথায়, ‘কোনও টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেওয়া ইস্টবেঙ্গলের সংস্কৃতি বিরুদ্ধ। তাই সুপার কাপে অংশগ্রহণ করতে চেয়ে আমরা কোয়েস চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়েছিলাম। কিন্তু ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সেই চিঠির উত্তর না আসায় আমরা ইস্টবেঙ্গল প্রেসিডেন্ট একাদশ নামে সুপার কাপে অংশগ্রহণ করতে চলেছি। ২২ মার্চ থেকে শুরু হবে অনুশীলন।’ অর্থাৎ, সুপার কাপে কেলা ইস্যুতে ইনভেস্টর-কর্তাদের দ্বন্দ্ব চরমে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের অন্দরমহলে।

আরও পড়ুন: অজি সিরিজে হার বিরাট সতর্কতা বলছেন দ্রাবিড়

সুপারকাপে দলগঠনের বিষয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ক্লাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট অজিত বন্দোপাধ্যায়কে। দলের কোচিংয়ের দায়িত্ব থাকবেন প্রাক্তন ফুটবলার তথা ইস্টবেঙ্গল ফুটবল স্কুলের কোচের দায়িত্বে থাকা চন্দন দাসের উপর। কোয়েসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ নয় এমন ফুটবলারদের নিয়ে ২২ মার্চ থেকেই ক্লাবের মাঠে অনুশীলন শুরুর কথা জানান দেবব্রত সরকার।

আরও পড়ুন: কোহলির ধরাছোঁয়ার বাইরে নন সচিন, মত নাইট কোচের

এদিকে আগামী ২৩ মার্চ থেকে দলের সিনিয়র ফুটবলার সহ বিদেশি ফুটবলারদের নিয়ে অনুশীলন শুরু করার কথা আলেজান্দ্রো মেনেন্দেস গার্সিয়ার। সেক্ষেত্রে সুপার কাপে প্রেসিডেন্ট একাদশ অংশগ্রহণ করলে সিনিয়র দল কী উদ্দেশ্যে অনুশীলন করবে, পরিষ্কার নয় এখনও।