কলকাতা: করোনা আক্রান্ত ২০২০ ভারতীয় ফুটবলের কাছেও অত্যন্ত বেদনার। পিকে বন্দোপাধ্যায়, চুনী গোস্বামীর মত দিকপাল ফুটবলারদের চলতি বছরে হারিয়েছে ভারতীয় ফুটবল। এছাড়াও কার্লটন চ্যাপম্যান, সত্যজিত ঘোষ মহামারীর বছরে জীবনযুদ্ধে হার মেনেছেন। তাই ডার্বির শতবর্ষে দেশের দিকপাল ফুটবলারদের স্মরণে আগামী ২৭ নভেম্বর বড় ম্যাচ শুরুর আগে দু-মিনিট নীরবতা পালনের অনুরোধ জানাল ইস্টবেঙ্গল।

ভারতীয় ফুটবলের পাশাপাশি কলকাতার দুই প্রধানের সঙ্গেও নিবিড় যোগাযোগ ছিল প্রয়াত এই সকল ফুটবলারদের। তাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে সম্মান জানিয়ে ডার্বি ম্যাচ কিক-অফের আগে নীরবতা পালনের জন্য আইএফএ-কে জানিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল সচিব কল্যাণ মজুমদার। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে আইএফএ সচিব জয়দীপ মুখোপাধ্যায়কে বলা হয়েছে তাদের এই অনুরোধ যেন আইএসএল আয়োজক অর্থাৎ এফএসডিএলে’র কাছে তুলে ধরা হয়।

আইএফএ-কে লেখা একটি খোলা চিঠিতে অনুরোধ জানিয়ে সচিব কল্যাণ মজুমদার লিখেছেন, ‘২০২০ সালটা দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রের কাছে অত্যন্ত বেদনাদায়ক। বিশেষ করে নয়া অংশগ্রহণকারী দু’টি দলের কাছে। কারণ স্বনামধন্য কোচ এবং ফুটবলারদের আমরা হারিয়েছি চলতি বছর। তাই আমরা আইএফএ’র কাছে আর্জি জানাচ্ছি এফএসডিএলের কাছে আমাদের ভাবনাটির কথা যেন জানানো হয়। ঐতিহাসিক ম্যাচ কিক-অফ হওয়ার আগে দু-মিনিট নীরবতা পালন করে ভারতীয় ফুটবলের ঐতিহ্য এবং সংহতিকে তুলে ধরা হয়।’

উল্লেখ্য, ভারতীয় ফুটবলের দুই পাওয়ার হাউস ইস্টবেঙ্গল এবং এটিক-মোহনবাগানের অংশগ্রহণে আইএসএল এবার আরও আকর্ষণীয় এবং উপভোগ্য কলকাতা তথা ভারতের ফুটবলপ্রেমীদের কাছে। দু’বারের চ্যাম্পিয়ন এটিকে’র সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে নয়া এন্টিটি এটিকে-মোহনবাগান ইতিমধ্যেই তাদের আইএসএল অভিযান শুরু করে দিয়েছে। প্রথম ম্যাচে কেরালা ব্লাস্টার্সকে ১-০ গোলে হারিয়েছে তারা। পক্ষান্তরে এসসি ইস্টবেঙ্গল ২৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক কলকাতা ডার্বি দিয়েই আইএসএলে তাদের পথ চলা শুরু করতে চলেছে।

এদিকে ম্যাচের দিন গোয়ায় হাজির থাকছেন মোহনবাগান অর্থসচিব তথা এটিকে-মোহনবাগান বোর্ডের অন্যতন ডিরেক্টর দেবাশিস দত্ত। তবে বিগত বছরগুলোর মত বেঞ্চে ফুটবলারদের সঙ্গে নয়। কোভিডের জাঁতাকলে বক্সে বসেই খেলা দেখতে হবে দেবাশিস দত্তকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I