কলকাতা: আইএসএল খেলার পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল কলকাতা জায়ান্ট ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব। আইএসএলের জন্য গত সোমবার যে বিড পেপার বা দরপত্র তারা তুলেছিল সেই দরপত্রের সফট কপি জমা দেওয়ার অন্তিম দিন ছিল আজ অর্থাৎ সোমবার। আর প্রত্যাশামতোই সোমবার বিকেলে ইস্টবেঙ্গলের তরফ থেকে প্রয়োজনীয় সব নথি ই-মেলের মাধ্যমে পৌঁছে গিয়েছে আইএসএল আয়োজক এফএসডিএলের কাছে।

একইসঙ্গে প্রয়োজনীয় অর্থ ফুটবল স্পোর্টস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের কাছে ব্যাঙ্ক ট্রান্সফার করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আয়োজকদের কাছে বিড পেপার জমা করার আগে ইস্টবেঙ্গলের তরফ থেকে সমস্ত প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা বদল আনা হয়েছে। ‘শ্রী সিমেন্ট ইস্টবেঙ্গল ফাউন্ডেশন’ নামে বিড পেপার তুললেও বিড পেপার ইস্টবেঙ্গল জমা করল ‘ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব প্রাইভেট লিমিটেড’ নামে। কেন নাম বদলে বিড পেপার জমা দিল শতবর্ষে পা দেওয়া ক্লাব?

উত্তরটা খুবই সহজ। কোয়েসের থেকে ফিরে পাওয়া ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের স্পোর্টিং রাইটস ‘ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব প্রাইভেট লিমিটেডে’র নামে নথিভুক্ত রয়েছে। শুধু তাই নয়, এখনও অবধি যে সকল ফুটবলার ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন প্রত্যেকেই ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ। এমতাবস্থায় ভিন্ন কোম্পানির নামে দরপত্র জমা করলে সেটি গ্রাহ্য হওয়ার নয়। কারণ এআইএফএফ কিংবা এফএসডিএলের কাছে নতুন কোম্পানি এখনও রেজিস্টার নয়। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত।

আর গোটা প্রক্রিয়া যাতে সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হয় সেজন্য ক্লাবকে প্রয়োজন মতো সমস্ত সহায়তা করল লগ্নিকারী সংস্থা। শ্রী সিমেন্ট এক্ষেত্রে ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব প্রাইভেট লিমিটেডের সমস্ত শেয়ার কিনে নিল। কারণ স্বল্প সময়ে এএফসির কাছ থেকে নতুন লাইসেন্সিং পাওয়া সহজ নয়। তাই সবকিছু পর্যালোচনা করে ক্লাবের আইএসএল খেলার বিষয়টি আরও সহজ করতে এগিয়ে এল শ্রী সিমেন্ট। ক্লাবের পুরনো ফ্র্যাঞ্চাইজির পুরো শেয়ার কিনে নিলেও গঠিত নতুন কোম্পানিতে ৭৬ শতাংশ শেয়ার থাকবে শ্রী সিমেন্টের হাতে। বাকি ২৪ শতাংশ ক্লাবের হাতে। তবে এএফসি টুর্নামেন্টের কথা মাথায় রেখে শীঘ্রই ‘শ্রী সিমেন্ট ইস্টবেঙ্গল ফাউন্ডেশন’ কোম্পানির নাম এএফসি’তে নথিভুক্ত করার কাজ শুরু করবেন কর্তারা।

তার আগে ১৭ সেপ্টেম্বর ক্যুরিয়ারের মাধ্যমে বিড পেপারের হার্ড কপি জমা দেওয়ার পালা। মনে করা হচ্ছে সব দেখেশুনে ২২ সেপ্টেম্বর এফএসডিএলের তরফ থেকে নতুন দল হিসেবে ইস্টবেঙ্গলের নাম ঘোষণা করা হবে। পাল্লা দিয়ে হাই-প্রোফাইল কোচ এবং বিদেশি চূড়ান্ত করার বিষয়টিও চলছে পুরোদমে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।