কলকাতা: আগামী মরশুমের কথা চিন্তা করে ইতিমধ্যেই শক্তিশালী দল গঠনে মনোনিবেশ করেছে ইস্টবেঙ্গল। সেই লক্ষ্যে সোমবার সিকে বিনীত, রিনো অ্যান্টো-সহ ৫ ফুটবলারকে নিশ্চিত করেছে তাঁরা। কিন্তু মরশুম শুরুর আগে ইনভেস্টরহীন লাল-হলুদের দুর্দশার চিত্রটা প্রকট হল আরও একবার। দেশের প্রধান লিগ আইএসএলে খেলা হবে কীনা সেটা সময় বলবে, তার আগে পুরনো ইনভেস্টর কোয়েস গ্রুপের সঙ্গে জুড়ে থাকা আভ্যন্তরীণ নানা সমস্যা মেটাতে হিমশিম কলকাতা জায়ান্টরা।

অতি মহামারী করোনার জেরে মরশুম শেষের পরেও দীর্ঘদিন কলকাতায় আটকে ছিলেন ইস্টবেঙ্গল কোচ থেকে ফুটবলাররা। অবশেষে চলতি মাসের শুরুর দিকে কোলাডো-রিভেরারা ফিরে যেতে সক্ষম হয়েছেন নিজেদের দেশে। তবে ফিজিক্যাল ট্রেনার কার্লোস নোদারের মত এখনও কিছু সাপোর্ট স্টাফ এবং ফুটবলার কলকাতায় আটকে রয়ে গিয়েছেন। এরা প্রত্যেকেই কোয়েসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ। এবার কলকাতার ফ্ল্যাটে আটকে থাকা নোদারের মত সাপোর্ট স্টাফ, অফিসিয়ালদের ফ্ল্যাট খালি করার নির্দেশ দিল কোয়েস গ্রুপ।

করোনার জেরে যখন চারিদিকে ত্রাহি-ত্রাহি রব সেই সময় এমন একটা নির্দেশ কতটা খারাপ সিদ্ধান্ত হতে পারে, উত্তরে পিটিআই’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনই আটকে থাকা ইস্টবেঙ্গলের এক ফুটবলার জানিয়েছেন, ‘সবচেয়ে খারাপ ঘটনাটা বোধহয় ঘটতে চলেছে। সারাদেশ জুড়ে এখনও লকডাউন জারি রয়েছে। আমরা এই মুহূর্তে কোথায় যাব?’ এখানেই শেষ নয়। ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনে ওই ফুটবলার বলেছেন, এমন সংকটের সময় ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্ট আটকে পড়া ফুটবলারদের কল ধরতে অস্বীকার করছে। সবমিলিয়ে সমস্যা থেকে বেরনোর উপায় খুঁজছেন তিনি।

কোয়েসের তরফ থেকে ফ্ল্যাট ছাড়ার যে নির্দেশ ফুটবলার কিংবা সাপোর্ট স্টাফদের দেওয়া হয়েছে তাতে লেখা রয়েছে, ‘রোজডেল, ইউনিওয়ার্ল্ড সহ অন্যান্য রেসিডেন্সের মালিকের নির্দেশিকা অনুযায়ী আগামী ২৫ মে’র মধ্যে আমরা আমাদের অ্যাপার্টমেন্ট সংশ্লিষ্ট রেসিডেন্সগুলোর মালিকের হাতে তুলে দেব।’ ১৮ মে থেকে ওই রেসিডেন্সগুলো স্যানিটাইজ করার কাজ শুরু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে ফুটবলারদের। তাই ২০ মে অর্থাৎ বুধবারের মধ্যেই ফুটবলার-অফিসিয়ালদের ফ্ল্যাট খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কোয়েসের তরফ থেকে। অন্যথা ফুটবলারদের কিছু খোয়া গেলে কিংবা ব্যক্তিগত কোনও সমস্যার জন্য কোয়েস ইস্টবেঙ্গল দায়ী থাকবে না বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।