কলকাতা: কোচ আলেজান্দ্রোর হাত ধরে গত মরশুমে আই লিগের ঠিক আগে পদ্মাপাড়ের ক্লাবে আগমন ঘটেছিল তাঁর। স্প্যানিশ কোচের জহুরির চোখকে ভুল প্রমাণ করেননি তিনি। দল অল্পের জন্য চ্যাম্পিয়ন না-হতে পারলেও মাঝমাঠে তাঁর শৈল্পিক ফুটবল নজর কেড়েছিল অনুরাগীদের। নতুন মরশুমে তাই পড়শি ক্লাব মোহনবাগানের র‍্যাডারেও ভালোমতোই ছিলেন এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডার। অবশেষে সব জল্পনার অবসান। তৃতীয় বিদেশি হিসেবে আরও দু’বছর ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন হাইমে স্যান্টোস কোলাডো।

বুধের সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে কোলাডোর আরও ২ বছর লাল-হলুদে থেকে যাওয়ার বিষয়টি ঘোষণা করা হল ক্লাব কর্তৃপক্ষের তরফে। অর্থাৎ বোরহা গোমেজ, কাশিম আইদারার পর তৃতীয় বিদেশি হিসেবে আগামী মরশুমে পুরনো সৈনিকেই আস্থা রাখল কোয়েস ইস্টবেঙ্গল। আগামী মরশুমে কোলাডোর দলে থেকে যাওয়ার বিষয়টি যে ইস্টবেঙ্গলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। গত মরশুমে আই লিগের দ্বিতীয় ডার্বিতে গোল করে লাল-হলুদ জনতার নয়নের মণি হয়ে উঠেছিলেন এই স্প্যানিশ মিড-ফিল্ডার।

তবে প্রথম ম্যাচ থেকেই ‘উইথ দ্য বল’ কোলাডোর চোরা গতি, দুরন্ত টাচ, সুইচ ওভার করে দু’প্রান্তের সঠিক ব্যবহার, ইস্টবেঙ্গল মাঝমাঠে দিশা দেখিয়েছিলেন বছর চব্বিশের এই স্প্যানিয়ার্ড। তাই মরশুম শেষে প্রাথমিকভাবে তড়িঘড়ি পুনরায় চুক্তিবদ্ধ না করালেও কোলাডোর প্রতি শ্যেন দৃষ্টি রেখেছিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। কোলাডোকে দলে নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহী ছিল সবুজ-মেরুনও। অবশেষে বুধবার আরও দু’বছর কোলাডোর চুক্তি পুনর্নবীকরণের বিষয়টি চূড়ান্ত করল ইস্টবেঙ্গল। একইসঙ্গে আগামী মরশুমে শক্তিশালী দল গঠনের বিষয়ে অনেকটাই এগিয়ে গেল লাল-হলুদ।

ডিফেন্ডার বোরহা গোমেজের সঙ্গে আগেই চুক্তি সেরে নিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। এরপর দ্বিতীয় বিদেশি হিসেবে গত মরশুমের আরও এক বিশ্বস্ত বিদেশী কাশিম আইদারার সঙ্গে দিনকয়েক আগে দু’বছরের চুক্তি বর্ধিত করে গতবারের রানার্সরা। এরপর কোলাডোর চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ায় অনেকটাই স্বস্তির নিঃশ্বাস অনুরাগীদের মধ্যেও। পাশাপাশি তনদম্বা, হাওকিপের পর তরুণ বেশ কিছু ভারতীয় ফুটবলারদের সঙ্গেও চুক্তি চূড়ান্ত করার পথে লাল-হলুদ। যে তালিকায় সবার উপরে রয়েছেন জাতীয় দলের তরুণ স্ট্রাইকার আশিক কুর্নিয়ান।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV