কলকাতা: উৎকণ্ঠার অবসান। কোয়েসের থেকে অবশেষে স্পোর্টিং রাইটস ফিরে পেল ইস্টবেঙ্গল। একইসঙ্গে কোয়েসের নো-অবজেকশন সার্টিফিকেটও পৌঁছে গিয়েছে ক্লাবের কাছে। অর্থাৎ, বেঙ্গালুরুর সংস্থার সঙ্গে অফিসিয়ালি চুক্তি ছিন্ন হল কলকাতা জায়ান্টদের।

উল্লেখ্য, ক্লাব লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য কোয়েসের থেকে স্পোর্টিং রাইটস এবং NOC ফিরে পাওয়ার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল ইস্টবেঙ্গলের কাছে। কিন্তু এই বিষয়ে কোয়েসের গড়িমসি দেখে উৎকণ্ঠার মধ্যে ছিলেন ক্লাবকর্তা থেকে সমর্থকেরা। ইতিমধ্যেই ক্লাব লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ার কাজ শুরু করে দিয়েছে ফেডারেশন। ২৪ জুলাই ক্লাব লাইসেন্সিং’য়ের ফর্ম পূরণ করে ফেডারেশনে পাঠানোর শেষদিন ছিল। কিন্তু সেকারণে প্রয়োজনীয় নথি এবং কাগজপত্র ইস্টবেঙ্গলের কাছে এতদিন ছিল না। অবস্থা বেগতিক দেখে ফেডারেশনের কাছে বাড়তি সাতদিন সময়ও চেয়ে নিয়েছিল তাঁরা।

ফেডারেশন সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে জুলাই’য়ের শেষ অবধি ইস্টবেঙ্গলকে সময় দিয়েছিল। কিন্তু তার আর প্রয়োজন হবে না। শুক্রবারই স্পোর্টিং রাইটস হস্তান্তরের নথি ইস্টবেঙ্গলকে পাঠিয়ে দিয়েছে কোয়েস। সঙ্গে নো-অবজেকশন সার্টিফিকেটও ফিরে পাওয়ায় ক্লাব লাইসেন্সিং’য়ের আবেদনে আর কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয় কলকাতা জায়ান্টদের। স্পোর্টিং রাইটস ফিরে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কোয়েসের তরফ থেকে ইস্টবেঙ্গলের জন্য আগামীদিনে পথ চলার শুভেচ্ছাবার্তাও পৌঁছে গিয়েছে। ঘটনায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন সমর্থক থেকে কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে সিঙ্গাপুরের এক কোম্পানি বিনিয়োগ করতে চেয়েছে লাল-হলুদে। যা আসন্ন মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের আইএসএল খেলার সম্ভাবনাও জোরালো করেছে। কোয়েসের সঙ্গে ‘গোল্ডেন হ্যান্ডশেকে’র আগেই সিঙ্গাপুরের প্রবাসী বাঙালি শিল্পপতি প্রসূন মুখোপাধ্যায়ের ইউনিভার্সাল সাকসেস এরন্টারপ্রাজ লিমিটেড কিছুদিন ধরেই লাল-হলুদ কর্তাদের সঙ্গে বিনিয়োগের ব্যাপারে কথাবার্তা চালাচ্ছে। ঘটনাটি যে মোটেই ভিত্তিহীন নয়, বরং ইস্টবেঙ্গলের জন্য সত্যিই সুখবর সেটা নিশ্চিত করেছেন খোদ প্রসূন মুখোপাধ্যায়। সিঙ্গাপুর থেকে টেলিফোনে টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে তিনি জানিয়েছেন, ‘আমরা ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছি।

আমার টিম আইনি প্রক্রিয়া সহ অন্যান্য দিক আপাতত খতিয়ে দেখছে। ইস্টবেঙ্গলের মতো ক্লাবের পার্টনার হতে পারলে ভীষণ ভালোলাগবে। পাঁচ বছরের কম সময়ের জন্য আমরা একেবারেই যুক্ত হতে চাই না এবং এব্যাপারে আমরা ভীষণই সিরিয়াস।’ সূত্রের খবর, কলকাতার ক্লাবটিতে ২৬০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে পারে ইউএসইএল।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও