কলকাতা: একাদশতম দল হিসেবে সরকারিভাবে ইন্ডিয়ান সুপার লিগে অন্তর্ভুক্তি ঘটল ইস্টবেঙ্গলের। গত ১৪ সেপ্টেম্বর দরপত্রের সফট কপি এবং ১৭ সেপ্টেম্বর হার্ড কপি জমা দেওয়ার পর ইস্টবেঙ্গলের আইএসএলে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি ছিল স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। যদিও এএফসি’র ক্লাব লাইসেন্সিং’য়ের বিভিন্ন শর্তাবলী স্ক্রুটিনির বিষয়টি নিয়ে চাপা টেনশন ছিল। কিন্তু লাল-হলুদের আইএসএলে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি কখনোই অসম্ভব মনে হয়নি।

এফএসডিএল নির্দিষ্টভাবে অফিসিয়াল ঘোষণার জন্য কোনও ডেডলাইন না রাখলেও বিগত তিন-চারদিন ধরে সমর্থকদের ধৈর্যের বাধ ভাঙছিল। অবশেষে রবিবার সকালে প্রতীক্ষার অবসান। আইএসএল আয়োজক ফুটবল স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড অফিসিয়ালি জানিয়ে দিল একাদশতম দল হিসেবে কলকাতা জায়ান্ট ইস্টবেঙ্গলের আইএসএলে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি।

লগ্নিকারী হিসেবে শ্রী সিমেন্ট ক্লাবের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল যুক্ত হওয়ার পর এফএসডিএল নতুন দলের জন্য যে দরপত্র আমন্ত্রণ করেছিল সেখানে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্তির জন্য দরপত্র তোলা এবং জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াটি সফলভাবে সম্পন্ন করেছিল একমাত্র কলকাতার ক্লাবটি। তাই খুব বড় কিছু অঘটন না ঘটলে লাল-হলুদের আইএসএলে অন্তর্ভুক্তি নিয়ে তেমন কোনও সংশয় ছিল না।

ইস্টবেঙ্গলের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে এফএসডিএল চেয়ারপার্সন নীতা আম্বানি টুইটে লেখেন, ‘এটা আইএসএল জন্য দারুণ খুশি এবং গর্বের মুহূর্তে যে আমরা ইস্টবেঙ্গল এফসি এবং তাদের মিলিয়ন অনুরাগীদের টুর্নামেন্টে স্বাগত জানাচ্ছি।’ তিনি আরও লেখেন, ‘ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের মতো দুই ঐতিহ্যপূর্ণ ক্লাবের আইএসএলে অন্তর্ভুক্তি ভারতীয় ফুটবলার দিগন্ত খুলে দেবে। বিশেষ করে ওই রাজ্যের প্রতিভা অন্বেষণের বিষয়ে।’

চলতি বছরের শুরুর দিকে এটিকে’র সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে মোহনবাগান দেশের টপ টিয়ার ফুটবল লিগে পা রাখলেও ইস্টবেঙ্গলের যোগদানের বিষয়টি সহজ ছিল না। কোয়েসের সঙ্গে মরশুম শেষে চুক্তি ছিন্ন হওয়ায় আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়েছিল ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু হাল ছাড়েননি কর্তারা। কোভিড আবহে হাজার প্রতিকূলতার মাঝেও অবশেষে লক্ষ্মীলাভ হয় লাল-হলুদে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সহায়তায় শ্রী সিমেন্টকে লগ্নিকারী হিসেবে পায় লাল-হলুদ। চলতি মাসের শুরুতেই নবান্নে সেই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।