কলকাতা: আসন্ন মরশুমে দলগঠনে চমক যেন শেষই হচ্ছে না ইস্টবেঙ্গলের। সময়ের আগে ইনভেস্টর কোয়েস বিদায় নেওয়ায় ফুটবলারদের বকেয়া রয়েছে শেষ একমাসের বেতন। কিন্তু সমস্যাটা আরও তীব্র ক্রিকেট দলকে নিয়ে। কোয়েসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ গত মরশুমের ক্রিকেটারদের বকেয়া রয়েছে প্রায় অর্ধেক বেতন। ফুটবলার-ক্রিকেটারদের বকেয়া বেতন নিয়ে যখন তীব্র ডামাডোল ক্লাবে, ঠিক তখনই কেরালার দুই ফুটবলারকে নিজেদের জালে নিয়ে শক্তি বাড়াল ইস্টবেঙ্গল।

লাল-হলুদের জালে এবার রিনো অ্যান্টো এবং সিকে বিনীত। জামশেদপুর এফসি’র হয়ে শেষ মরশুমটা ভালো না যাওয়ায় মরশুমে শেষে দলবদলে আগ্রহী ছিলেন কেরালার বিনীত। দলবদলের বাজারে অভিজ্ঞ মিডফিল্ডারকে ঘরে তুলতে আসরে নামে ইস্টবেঙ্গল। কলকাতা জায়ান্টদের অফারে মন গললেও বিনীত ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের শর্তসাপেক্ষে বন্ধু রিনো অ্যান্টোকেও দলে নেওয়ার কথা জানান বলে সূত্রের খবর। কিন্তু বেঙ্গালুরু থেকে রিনোকে তুলে নেওয়া ততটা সহজ ছিল না। যদিও রিনোর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলে লাল-হলুদ।

কলকাতার ক্লাবটির অফার পর্যালোচনা করে পরবর্তীতে তাতে সম্মতি প্রদান করতেই আসন্ন মরশুমে ইস্টবেঙ্গলে নিশ্চিত হন দুই দক্ষিণী ফুটবলার। সোমবার এই দুই ফুটবলারকে আসন্ন মরশুমে নিশ্চিত করার কথা ঘোষণা করেছে ক্লাব। মৌখিক সম্মতি প্রদানের পর দিনকয়েক আগে কেরলে এই দুই ফুটবলারের কাছে চুক্তিপত্র পৌঁছে গিয়েছিল বলে খবর।

উল্লেখ্য, করোনার জেরে কার্যত মাঝপথে মরশুম শেষ হওয়ার পর থেকেই আগামী মরশুমের দলগঠন নিয়ে আসরে নেমে পড়ে ইস্টবেঙ্গল। দলগঠনে সবচেয়ে বেশি ইতিবাচক দেখায় শতবর্ষে পা দেওয়া লেসলি ক্লডিয়াস সরণির ক্লাবকে। মোহনবাগান থেকে গোলরক্ষক শংকর রায়, লালরাম চুলোভা, এটিকে থেকে বলবন্ত সিং, ইরানের ওমিদ সিংকে প্রাথমিক ভাবে নিশ্চিত করে তাঁরা। এরপর কোয়েস সম্পর্ক ছিন্ন করলেও দলগঠনে চমক অব্যাহত ছিল তাঁদের।

শেহনাজ সিং, ইউজেনসন লিংডো, মহম্মদ রফিক, মিলন সিং’য়ের মতো নাম আসন্ন মরশুমে নিশ্চিত করেছে ইস্টবেঙ্গল। যদিও কোন লিগে খেলবে তাঁরা ২০২০-২১ মরশুমে, তা নিশ্চিত হয়নি এখনও। ইনভেস্টর সমস্যায় আইএসএল খেলার বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশার মধ্যে থাকা ইস্টবেঙ্গলের হয়ে ব্যাট ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ও। দিনকয়েক আগে ক্লাবের তরফে এ বষয়ে এআইএফএফ সভাপতিকে তিনি ফোন করেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রের খবর।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ