কলকাতা: ফেডারেশনের চিঠি পাওয়ার পর থেকেই চলছিল চাপান-উতোর৷ সুপার কাপে অংশগ্রহণ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সোমবার সন্ধ্যায় ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে কার্যকরী সমিতির সভা ডেকেছিলেন কর্তারা৷ সেই সভা চূড়ান্ত ফলপ্রসূ না হলেও সুপার কাপ ও আইএসএলে অংশগ্রহণ করতে চেয়ে ইনভেস্টর কোয়েস গ্রুপের চেয়ারম্যান অজিত আইজ্যাকের কোর্টেই বল ঠেললেন লাল-হলুদ কর্তারা৷

ক্লাব কর্তাদের দাবি, এবিষয়ে মতামত জানতে চেয়ে চিঠি পাঠানো হচ্ছে কোয়েস চেয়ারম্যানকে এবং সর্বস্তরের সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের কথা ভেবে আটচল্লিশ ঘন্টার মধ্যে সদুত্তর চাওয়া হয়েছে কোয়েস গ্রুপের কাছ থেকে৷ এরপরই ক্লাবের আই লিগ ও আইএসএল খেলার বিষয়টি পাকা হবে৷ সেক্ষেত্রে ফেডারেশনের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে উত্তর দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন করা হবে ক্লাব কর্তৃপক্ষের তরফে৷

আরও পড়ুন: বিশ বাঁও জলে সুপার কাপের ভবিষ্যৎ

মতাদর্শগত পার্থক্যের কারণে সাতটি আই লিগের ক্লাবের সঙ্গে জোট বেঁধে সুপার কাপ বয়কট করার ডাক দেয় ইস্টবেঙ্গল৷ এ নিয়ে ক্লাব কর্তারা দ্বিমত পোষণ করলে ক্লাবের সুপার কাপ খেলার বিষয়টি চলে যায় বিশ বাঁও জলে৷ এরইমধ্যে সুপার কাপে খেলার বিষয়ে তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানতে চেয়ে ক্লাবকে চিঠি পাঠায় ফেডারেশন৷ ১৮ মার্চের মধ্যে চিঠির উত্তর চায় তারা৷ পাশাপাশি আইএসএলে খেলার বিষয়টিও খোলসা করতে বলা হয়৷

পরিপ্রেক্ষিতে লাল-হলুদ কর্তারা কোয়েস গ্রুপের চেয়ারম্যান অজিত আইজ্যাককে সুপার কাপে অংশগ্রহণ করতে চেয়ে আর্জি জানালেও তার সদুত্তর মেলেনি৷ এরপরই এবিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আসরে নামেন কর্তারা৷ ডাকা হয় ক্লাবের কার্যকরী সমিতির বৈঠক৷ আমন্ত্রণ জানানো হয় অজিত আইজ্যাককেও৷

আরও পড়ুন: গোয়াকে হারিয়ে প্রথমবার আইএসএল চ্যাম্পিয়ন সুনীলরা

কিন্তু বৈঠকে উপস্থিত হননি আইজ্যাক৷ প্রথমে প্রতিনিধি পাঠানোর কথা বলা হলেও কোয়েসের তরফ থেকে উপস্থিত ছিলেন না কেউই৷ অবশেষে জনা পঁচিশ কর্তা সর্বসম্মতিক্রমে সুপার ক্লাব ও আইএসএল খেলতে চেয়ে চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন কোয়েস চেয়ারম্যানকে৷ এমনকি ম্যাচ কমিশনার ও রেফারির রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে চেন্নাই-মিনার্ভা ম্যাচেরও বিহিত চাইছেন কর্তারা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.