কলকাতা: বুধবার ঘরের মাঠে নির্বিষ মুম্বই এফসি-কে নিয়ে ছেলেখেলা করার বদলে সাবধানী দেখাল লাল-হলুদ ব্রিগেডকে। নতুন বিদেশি প্লাজার পা-থেকে দুটি সুন্দর গোল ছাড়া আক্রমণে সেই ঝাজ দেখা গেল না ইস্টবেঙ্গলের খেলায়। ডার্বির আগে যা চিন্তায় রাখবে কোচ ট্রেভর জেমস মর্গ্যানকে। এদিন মুম্বইকে ২-০ গোল হারালেন মেহতাবরা। ম্যাচ সহজে জিতলেও আগের ম্যাচে মিনার্ভাকে দুরমুশ করার মতো পারফরম্যান্স দেখা গেল না লাল-হলুদ ফুটবলারদের কাছ থেকে। এই ম্যাচ জিতে লিগ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা মোহনবাগানের থেকে প্রথম স্থানে থাকা ইস্টবেঙ্গলের পয়েন্টের ব্যবধান বেড়ে দাঁড়াল ৩। ১৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগ তালিকার শীর্ষেই থাকল ইস্টবেঙ্গল।

ম্যাচের প্রথমার্ধে ইস্টবেঙ্গলের উপর জাঁকিয়ে বসেছিলেন মুম্বইয়ের ফুটবলাররা। কিন্তু প্রতি আক্রমণে গিয়ে ৯ মিনিটের মাথায় রাহুল ভেকের পাস থেকে মুম্বইয়ের দু’জন ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়ে গোল করেন প্লাজা। এই ভাবেই নিজের জাত চেনাতে শুরু করেন লাল-হলুদের এই নতুন বিদেশী। তবে এদিন নিষ্পৃহ ছিলেন ওয়েডসন। আগের দিন তিন গোল করেও এদিন একেবারে ম্লান দেখায় তাঁকে। ১৬ মিনিটের মাথায় আবার ইস্টবেঙ্গলের গোল। ডিকার ভাসানো বল সুন্দরভাবে বক্সের মধ্যে রিসিভ করে ফের মুম্বইয়ের ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে গোল করে যান প্লাজা। বিরতিতে ২-০ এগিয়ে থেকে মাঠ ছাড়ে ইস্টবেঙ্গল ও মুম্বই এফসি। দ্বিতীয়ার্ধে ওয়েডসনকে তুল নিয়ে রোমিওকে নামান ইস্টবেঙ্গল কোচ মর্গ্যান। গোয়ার এই ফুটবলারকে চলতি আই লিগে প্রথমবার নামান কোচ। মুম্বই গোল শোধের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। পাল্টা গোল ব্যবধান বাড়ানোর জন্য খেলতে শুরু করে ইস্টবেঙ্গল। একাধিক সুযোগ নষ্ট করার খেসারত দিতে হয় রবিন, রোমিওদের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।