মুম্বই: অবশেষে জয়ের মুখ দেখল লাল-হলুদ৷ সেই সঙ্গে অবনমনের ভ্রুকুটি দূর হল পদ্মাপাড়ের ক্লাবের৷ সোমবার কুপারেজে বিদেশিহীন ইন্ডিয়ান অ্যারোজকে ৩-১ গোলে হারালেন কোলাডোরা। এর ফলে ইস্টবেঙ্গলের কোচ হিসেবে প্রথম জয় পেলেন মারিয়ো রিভেরা। এদিনের জয়ের ফলে ১২ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবলে ছ’ নম্বরে উঠে এল লাল-হলুদ৷ সমসংখ্যক ম্যাচে ২৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে মোহনবাগান৷

কল্যাণীতে অর্থাৎ ঘরের মাঠে সপ্তাহ দু’য়েক আগে এই অ্যারোজের কাছে হেরে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল৷ কিন্তু এদিন মুম্বইয়ে অনেক বেশি জমাট দেখাল ইস্টবেঙ্গল মাঝমাঠ ও রক্ষণকে। আক্রমণভাগও অনেক বেশি সাবলীল ছিল রিভেরার ছেলেরা। তবে সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হল ভারতীয় ফুটবলের তরুণদের।

ম্যাচের ৬ মিনিটে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন ইস্টবেঙ্গলের স্প্যানিশ ফুটবলার কোলাডো। আগের দিন পঞ্জাবের বিরুদ্ধে কিছুটা ঝলক দেখিয়েছিলেন ক্রোমারা। এদিন অ্যারোজের বিরুদ্ধে কুপারেজে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী দেখাল লাল-হলুদ ব্রিগেডকে। শুরুর কয়েক মিনিটে অবশ্য আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে অ্যারোজ। কিন্তু প্রতি আক্রমণে ৬ মিনিটে টপ-বক্স থেকে বাঁ-পায়ের জোরালো শটে জাল কাঁপিয়ে দেন স্যান্টোস। এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। প্রথমার্ধের ১-০ এগিয়ে থেকে ড্রেসিংরুমে ফেরে লাল-হলুদ ফুটবলাররা৷

দ্বিতীয়ার্ধের অবশ্য মাঠে নেমে সমতা ফেরায় ইন্ডিয়ান অ্যারোজ৷ ৫৪ মিনিটে বিক্রম প্রতাপ সিংহের দুরন্ত গোলে ১-১ করে ভারতীয় ফুটবলের তরুণবিগ্রেড। মাঝমাঠ থেকে লম্বা বল ধরে মেহতাব সিং-কে পিছনে ফেলে এগিয়ে যান বিক্রম। গোল ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন লাল-হলুদ গোলকিপার রালতে। ফলে লাল-হলুদের ফাঁকা জালে বল জড়িয়ে দেন বিক্রম৷ এর আগে অবশ্য বিক্রমই পেনাল্টি মিস করায় গোল করার সুযোগ নষ্ট করে অ্যারোজ।

গোল খাওয়ার পর আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে ইস্টবেঙ্গলকে ফের এগিয়ে দেন আখতার। এরমধ্যেই কয়েকটি সুযোগ নষ্ট করেন ক্রোমা। তবে চার মিনিট মধ্যেই ব্যবধান বাড়িয়ে নেয় লাল-হলুদ। কোলাডোর কর্নারে এবার হেডে গোল করে যান রালতে। ৬৭ মিনিটে ৩-১ করে ইস্টবেঙ্গল৷ শেষ পর্যন্ত এই ব্যবধানেই ম্যাচ জিতে নেয় ইস্টবেঙ্গল৷