নয়াদিল্লি: এমন দিন এলো বলে প্রভিডেন্ড ফান্ড (পিএফ) থেকে গৃহের জন্য সহজেই ঋণ মিলবে৷ সাধ্যের মধ্যে গৃহ প্রকল্পে সুযোগ করে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ড ফান্ড অর্গানাইজেশনের (ইপিএফও ) ৫ কোটি সদস্যের জন্য এমন ব্যবস্থা করতে চলেছে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রক৷ কারণ ২০২২ সালের মধ্যে ‘সকলের জন্য গৃহ’ নামে কেন্দ্রীয় সরকার লক্ষ্য স্থির করেছে , তারই জেরে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে নির্দেশে পেয়ে এমন পদক্ষেপ৷ বর্তমান নিয়মে, অন্তত পাঁচ বছর ধরে টাকা জমানোর পরে ইপিএফওর সদস্যরা বাড়ি কেনার জন্য ঋণ নিতে পারেন৷ তবে, এই ঋণ (বেতনের ৩৬ গুণ ) চাকুরি জীবনে কেবল একবার মাত্রই নেওয়া যায়৷

তাছাড়া ইপিএফও -র সদস্যদের মধ্যে যাঁদের আয় কম , তাঁদের সস্তার আবাসন প্রকল্পে সরকার ভর্তুকিও দিতে চায়৷ আবাসন প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে ইপিএফও সদস্যদের তিনটি বিভাগ রয়েছে- কম আয়, মধ্য আয় ও উচ্চ আয়৷ আয়ের ভিত্তিতেই এই গৃহঋণের সুবিধা দেওয়া হবে৷ ইপিএফ থেকে নেওয়া ঋণ মাসিক কিস্তিতে পরিশোধ করা যাবে৷ প্রয়োজনে এই প্রকল্পে সদস্যদের কম সুদে ঋণ দেওয়া হবে সেজন্য ইপিএফওর মধ্যেই একটি পৃথক সংস্থা তৈরি করা হতে পারে৷ সস্তার আবাসন প্রকল্পকে অগ্রাধিকারের তালিকায় এনে যাতে কম সুদে ঋণ দেওয়া যায় , তার জন্য ব্যাংক ও অন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলিকেও বলা হবে৷ এখন প্রভিডেন্ট ফান্ড যদি তার মোট তহবিলের ১৫ শতাংশ গৃহঋণ খাতে বরাদ্দ করে তা হলে মোট ৭০ ,০০০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া সম্ভব হবে৷ এর ফলে অতিরিক্ত ৩ .৫ লক্ষ সস্তার বাড়িও নির্মিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে৷ বর্তমানে ইপিএফও -র হাতে ৬.৫ লক্ষ কোটি টাকার আমানত রয়েছে৷ প্রতি বছর ৭০ ,০০০ কোটি টাকার বেশি আমানত জমা পড়ছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।