নয়াদিল্লি: প্রায় ৪২ হাজার বছর আগে অস্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে গিয়েছে পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্র। নিউজিল্যান্ডের প্রাচীন গাছগুলি তারই প্রমাণ দেয়। আবহাওয়ার পরিবর্তন গোটা বিশ্বের পরিবেশে বড়সড় পরিবর্তন ঘটিয়েছে।

অস্ট্রেলিয় গবেষকদের নতুন গবেষণা পৃথিবীর ইতিহাসে একটি পরিবর্তনকে সূচিত করেছে। এটি একটি বিদ্যুতিন ঝড়। আকাশে সবুজ বা লাল রঙের আলো দ্বারা একে চিহ্নিত করা হয়। এছাড়া আরও একটি পরিবর্তন তেজস্ত্রিয়তার সঙ্গেও সম্পর্কিত। জানা গিয়েছে মহাজাগতিক রশ্মির ফলে পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের বিপুল পরিবর্তন ঘটেছিল। আর তা ঘটেছিল প্রায় ৪২ হাজার বছর আগে। এই বিশাল পরিবর্তনের ফলে তখন পৃথিবী থেকে উদ্ভিদ জগৎ ও প্রাণী জগতের গণ বিলুপ্তি বা মাস এক্সটিংশন হয়েছিল। এর প্রভার সবথেকে বেশি পড়েছিল স্তন্যপায়ীদের উপর। এই সময়কালকে অ্যাডামস ট্রানজিশমাল ডিওম্যাগনেটিক ইভেন্ট বা অ্যাডামস ইভেন্ট হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এর প্রবক্তা ডগলাস অ্যাডামস। তিনি তাঁর হিটচিকার্স গাইড টু দ্য গ্যালাক্সি বইয়ে এর কথা লিখেছেন।

কিন্তু নিউজিল্যান্ডের গাছ কীভাবে সেকথা জানান দিল? জানা গিয়েছে এই দেশে কউরি উদ্ভিদের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গিয়েছে। এগুলি ৪২ বছরের পুরনো। পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রে যখন বড়সড় পরিবর্তন আসে তার প্রভাবেই এগুলি নষ্ট হয়ে যায় বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু ঠিক কীভাবে এটি প্রাণীকূলের উপর প্রভাব ফেলেছিল তা জানতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। তবে এই ধ্বংস হয়ে যাওরয়া উদ্ভিদের কোষ খুঁজে বিজ্ঞানীরা তার কোষে কার্বনের এক আইসোটোপের খোঁজ পেয়েছেন। এটি কার্বনের একটি তেজস্ত্রিয় প্রকারভেদ। ওই সময় এই তেজস্ক্রিয় পদার্থ পরিবেশে মিশেছিল। তার ফলে চৌম্বক ক্ষেত্রে পরিবর্তন ঘটতে পারে।

বিজ্ঞানীরা মনে করছেন এই তেজস্ক্রিয়তা ঘটেছিল মহাজাগতিক রশ্মির প্রভাবে। তার ফলে পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রে দুর্বল হয়ে পড়েছিল। পৃথিবী এর প্রভাব সহ্য করতে পারেনি। ফলে তীব্র আঘাত এসেছিল প্রাণী জগৎ ও উদ্ভিদ জগতের উপর। তবে এই প্রভাব এক থেকে দেড় হাজার বছর স্থায়ী হয়েছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।