শিলংঃ একের পর এক ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে উত্তর-পূর্ব ভারত। রবিবার কেঁপে উঠেছে মেঘালয়ের একাংশ। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৩.৯।

ন্যাশনাল সেন্টার অফ সিসমোলজির তথ্য অনুযায়ী, মেঘালয়ের তুরা অঞ্চলের কাছে কম্পনের উৎসস্থল। এদিন দুপুর ১২টা ২৪ মিনিটে কম্পন অনুভূত হয়েছে।

কিছুদিন আগে, দেশের উত্তর-পূর্বের রাজ্য একাধিকবার কেঁপে উঠেছে। অসম সহ মিজোরাম কেঁপেছে একাধিকবার। জুনের ১৮ তারিখ থেকে ২১ তারিখের মধ্যে কম্পন বোঝা গিয়েছে প্রায় পাঁচবারের বেশি। বিষয়টিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গার সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেছেন উত্তর পূর্ব রিজিয়নের উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। সব ধরণের সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে মিজোরামকে। জুনের ২১ তারিখ অর্থাৎ রবিবার অসমের গুয়াহাটি সহ একাধিক জায়গায় কম্পন অনুভূত হয়েছে। প্রতিবেশি রাজ্য মেঘালয়, মণিপুর এবং মিজোরামেও তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে।

উল্লেখ্য, জুনের ১৮ তারিখ ভূমিকম্প কাঁপিয়ে দিয়েছে দেশের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিকে। এদিন রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৫। ভূমিকম্পের তীব্রতা মাঝারি হলেও কম্পন অনুভূত হয়েছে গোটা উত্তর-পূর্বেই। মিজোরাম রাজ্যের চাম্পাই জেলায় ভূপৃষ্ঠ থেকে ৮০ কিলোমিটার ভেতরে কম্পনের উৎসস্থল বলেই জানিয়েছে স্থানীয় সিসমিক সেন্টার।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ কোনও বড়সড় ভূমিকম্পের ইঙ্গিত। উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে ভূমিকম্পের ফলে জানা গিয়েছে, একের পর এক বাড়িতে বড় ফাটলের পাশাপাশি রাস্তাতেও বড়বড় ফাটল হয়েছে। তবে প্রাণহানির কোন খবর পাওয়া যায়নি। একাধিক বড় বিল্ডিং, চার্চ, হাইওয়ে এবং গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় ফাটল দেখা গিয়েছে ভুমিকম্পে। তবে পুরোপুরি ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত সে বিষয়ে জানা যায়নি।

প্রসঙ্গত, জুনের ১৪ তারিখ থেকে ১৫ তারিখ অবধি তিনবার ভুমিকম্পে কেঁপে উঠেছে গুজরাত। ভূমিকম্প ছাড়াও রবিবার থেকে ১৫ বার আফটার শক বোঝা গিয়েছে গুজরাতে। বেড়েছে আতঙ্ক। ভূমিকম্পের ভয়াবহ স্মৃতি রয়েছে গুজরাতের। শেষবার ২০০১ সালে প্রবল ভূমিকম্প হয় সেই রাজ্যে। এছাড়া, ১৯৫৬ ও ১৯১৮ তেও ব্যাপক ভূমিকম্প হয় গুজরাতে। ২০০১ সালের ২৬ জানুয়ারি ৬.৯ মাত্রা কম্পন নয়, যা স্থায়ী হয়েছিল প্রায় ১০০ সেকেন্ড। কেঁপে উঠেছিল পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপালও।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ