নয়াদিল্লি: আবারও বড়সড় ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ভারতের একাংশ। একাধিক রাজ্যে সেই কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সোমবার সন্ধে ঠিক ৮ টা ১২ মিনিটে এই কম্পন অনুভূত হয়।

একদিকে মহামারীর ধাক্কা সামলাতে অস্থির হয়েছে উঠছে গোটা দেশ। কিছুদিন আগেই পশ্চিমবঙ্গ ও ওডিশাকে কাঁপিয়ে দিয়ে গিয়েছে সুপার সাইক্লোন আমফান। এরই মধ্যে পূর্ব ভারতে ভূমিকম্পের ধাক্কা।

সোমবার সন্ধেয় এই কম্পন হয়েছে মণিপুর, অসম, মিজোরামে। মেঘালয়, নাগাল্যেন্ডেও এই কম্পন অনুভূত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ৫.১। মনিপুরে এই কম্পনের উৎসস্থল। এই কম্পন বাংলাদেশের বেশ কিছু অংশেও অনুভূত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

শুধু ভারতই নয়, কেঁপে উঠেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাও। সেখানকার সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, এই কম্পনের উৎপত্তি ঢাকা থেকে ৩৬৬ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে। এটি মাঝারি মানের কম্পন ছিল। তবে ঝটকার জোর বেশি হলে বড়সড় ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা ছিল বলেই মনে করছেন সে দেশের আধিকারিকরা। তবে ঈদের দিন বাংলাদেশের ঢাকায় ভিড় ছিল।

কয়েকদিন আগেই মৃদু ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে পশ্চিম ভারত। ভূমিকম্প হয় রাজস্থানে। মঙ্গলবার ৩.২ মাত্রার কম্পন অনুভূত হয় রাজস্থানের ঝুনঝুনুতে। তবে কোনও প্রানহানি বা সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই। ডিস্ট্রিক্ট পুলিশ কন্ট্রোল রুমের তরফ থেকে এই খবর জানানো হয়েছে। জয়পুরের আবহাওয়া দফতরের প্রধান শিব গণেশ জানান, ভূমিকম্পের উৎস স্থল মাটি থেকে ১০ কিমি গভীরে ছিল।

এছাড়া, লকডাউন চলাকালীন মোট চারবার ভূমিকম্প হয়েছে দিল্লিতে।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব