বেজিং: ক্রমশ কালো হচ্ছে ব্রহ্মপুত্র নদের জল৷ জল কালো হওয়ার পিছনে চিনকেই দায়ী করেছে ভারত৷ কিন্তু চিন সেই দায় একেবারেই অস্বীকার করে৷ চিনের তরফে জানানো হয়েছে, তিব্বতে ভূমিকম্পের জেরেই নদের জল ক্রমশ কালো হচ্ছে৷ এর পিছনে চিনের কোনও কারসাজি নেই৷

গত নভেম্বর মাসে তিব্বতে ভূমিকম্প হয়৷ রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৬.৯৷ সেই ভূমিকম্পই নাকি দায়ী ব্রহ্মপুত্র নদের জল কালো হওয়ার পিছনে৷ এমনটাই দাবি করছে চিন৷ যদিও ভারতের দাবি, ব্রহ্মপুত্র নদীর গতিপথ ঘুরিয়ে নিয়ে তাকলামাকানের শুষ্ক মরুভূমিতে জলের প্রবেশ করাবে চিন৷ ব্রহ্মপুত্র নদীর গতিপথ ঘুরিয়ে নেওয়া নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছিল৷ তিব্বত থেকে চিনের জিনজিয়াং এলাকা পর্যন্ত খোঁড়া হচ্ছে লম্বা ১০০০কিমি সুড়ঙ্গ৷ ব্রহ্মপুত্র নদীর জল চিনের তাকলামাকান মরুভূমিতে প্রবেশ করানোই এর মূল লক্ষ৷ তাই ঘুরিয়ে নেওয়া হচ্ছে ব্রহ্মপুত্র নদীর গতিপথ৷ সেই কারণেই ব্রহ্মপুত্র নদের জল দূষিত হচ্ছে৷

পড়ুন: ব্যবহারের অযোগ্য ব্রহ্মপুত্রের জল, সরব অসম সাংসদ

কংগ্রেস সাংসদ নিনোং এরিং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বিষয়টির গুরুত্ব বুঝিয়ে সম্প্রতি একটি চিঠি লেখেন৷ শীতের মরশুমে নদের জলের রং পরিবর্তনের ঘটনা স্বাভাবিক নয় বলে জানিয়ে চিঠিতে তিনি লেখেন৷ শীতের মরসুমে এই নদের জল একেবারেই স্বচ্ছ থাকার কথা৷ কিন্তু বর্ষা কেটে যেতেও নদের জল পরিষ্কার না হওয়ায় তিনি এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন৷ এই ব্রহ্মপুত্র নদের জল অরুণাচল প্রদেশে সিয়াং নদী নামে পরিচিত৷

পড়ুন: অজানা উড়ন্ত ড্রোন ঘিরে চাঞ্চল্য বিমান বন্দরে

এই প্রসঙ্গে চিনের বিদেশমন্ত্রী হুয়া জানিয়েছেন, গত নভেম্বর মাসের মধ্যবর্তী সময়ে ভূমিকম্প হয়৷ সেই ভূমিকম্পের পরই ব্রহ্মপুত্র নদের জলের উপরে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালাচ্ছে চিন৷ সেই পরীক্ষার পরই জানা গিয়েছে, ব্রহ্মপুত্র নদ যেটি চিনে পরিচিত ইয়ারলুং জাংবো নামে, সেই নদের জলের মান ক্লাস ৩ ই রয়েছে৷ যা একেবারেই সেভাবে জলের মাছের ক্ষেত্রে ক্ষতিকর নয়৷ তিনি আরও জানিয়েছেন, প্রাকৃতিক কারণেই নদের জল কালো হয়েছে৷ নদের তলায় চিনের সুড়ঙ্গ খনন এর জন্য একেবারেই দায়ী নয়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.