এথেন্সঃ  এজিয়ান সাগরে শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত তুরস্ক। ক্রমশ বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এখনও পর্যন্ত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। ৪০০- এরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে খবর। ফলে প্রবল কম্পনের পর মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা।

অন্যদিকে শুক্রবারের প্রবল এই ভূমিকম্পের পর বহু ভবন ভেঙে পড়েছে। আর উপকূলীয় এলাকা ও গ্রিস উপদ্বীপে প্রবল জলোচ্ছ্বাস আঘাত হেনেছে। তুরস্কের উপকুলবর্তী শহরে ঢুকে পড়েছে সমুদ্রের জল। চারপাশ জুড়ে শুধুই ধংসস্তুপের ছবি।

আর সেই ধ্বংসস্তুপের নীচে আটকদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। বহু বাড়ি-ঘর যেহেতু ভেঙে পড়েছে সেখানে বহু মানুষ আটকে পড়ার সম্ভাবনা। ইতিমধ্যে জরুরি মোকাবিলা দল, বিপর্যয় বাহিনী, পুলিশ, দমকল সমস্ত বিভাগকে নামানো হয়েছে। এখনও উদ্ধার কাজ চলছে পুরোদমে।

জানা যায়, ভূমিকম্প টের পাওয়ার পরেই আতঙ্কে ঘর বাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন তুরস্কের উপকূলবর্তী শহর ইজমিরের বাসিন্দারা। ইজমিরের বায়রাকলি ও বোর্নোভা জেলায় ৬ টি বাড়ি ধসে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। এখনও বহু এলাকায় কি অবস্থা সেই তথ্য আসেনি বলেই জানা যাচ্ছে।

এজিয়ান এবং মারমারা এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়েছে। ইস্তানবুলের গভর্নর জানিয়েছেন, প্রাথমিক ভাবে কোনও ক্ষয় ক্ষতির খবর নেই।

প্রথম ভূমিকম্পের পরে উভয় দেশেই আফটার শক অনুভূত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। একবার নয়, বহুবার আফটার শক অনুভূত হয়েছে। ফলে আতঙ্কে রাস্তায় বহু মানুষ। প্রশাসনের তরফে স্থানীয় মানুষকে নিরাপদ জায়গায় থাকার কথা বলা হয়েছে।

 টিআরটি টেলিভিশন দেখিয়েছে, একটি সাত তলা ভেঙে পড়া বিল্ডিং থেকে বের করে আনা হচ্ছে আটকে থাকা মানুষজনকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কয়েকটি সুনামির ভিডিও ছড়িয়েছে। সেখানে দেখা গিয়েছে, জল ঢুকে পড়েছে শহরের রাস্তায়। আতঙ্কিত মানুষজন।

সামনে আসছে একের পর এক ভয়ঙ্কর ছবি-ভিডিও।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।