নয়াদিল্লি: ফণীর রেশ কাটতে না কাটতেই ভারতের সীমান্তে তীব্র ভূমিকম্প। শনিবার বিকেলেই কম্পন অনুভূত হয় ভারতের সীমান্তে।

এদিন বিকেল ৪টে ৩৩মিনিটে কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে যার মাত্র ছিল ৫.৪। কম্পনের প্রভাব পড়েছে ভারত ও মায়ানমারে।

ভারতের নাগাল্যান্ডের মন থেকে ৯৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে ওই কম্পন হয়। কম্পনের উৎসস্থলের গভীরতা ছিল ১০০ কিলোমিটার। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি।

আগেই অবশ্য ভূমিকম্প সংক্রান্ত সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন ভূতত্ত্ববিদরা। ৮ মাত্রার কম্পন হতে পারে বলেও সাবধান করা হয়েছিল। যা নাকি মারাত্মক ক্ষতির মুখে ফেলতে পারে বিশ্বকে৷ ৮ মাত্রার একটি ভূমিকম্পের সাবধানবাণী শোনাচ্ছেন ভূতত্ববিদরা৷

গত ২ মে ওই সতর্কবার্তায় বলা হয়, সৌরজগতের অবস্থানগত কিছু পরিবর্তনের জন্য পৃথিবীতে এই ভূমিকম্প দেখা দিতে পারে৷ বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় একে বলা হচ্ছে ক্রিটিক্যাল জিওমেট্রি৷ ভূমিকম্প বিষয়ক ওয়েবসাইট ডিট্রিনিয়াম জানাচ্ছে সৌরজগতে বুধ, মঙ্গল ও নেপচুন গ্রহের অবস্থানগত পরিবর্তনের কারণে ফল ভুগতে হতে পারে পৃথিবীকে৷ পরিবর্তন হবে সূর্যের অবস্থানেরও৷ ফলে এর সরাসরি প্রভাব পড়বে পৃথিবীর ওপর৷

গ্রহ ও সূর্যের পারস্পরিক টান ও মাধ্যকর্ষণ শক্তির বাড়া কমার প্রভাবেই এই কম্পনের সূত্রপাত বলে জানা গিয়েছে৷ বিজ্ঞানী ও ডিট্রিনায়াম ওয়েবসাইটের সম্পাদক ফ্রাংক হুগারবিটস জানাচ্ছেন মাধ্যকর্ষণ শক্তির প্রভাবে পৃথিবীর টেকটনিক পাতের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হবে৷ ফলে এই পাতগুলিও একে অপরের দিকে সরে আসতে পারে৷

মে মাসের ৪ তারিখের মধ্যে এই ভূমিকম্পের আশঙ্কা করা হয়েছিলল আর শনিবারই ৪ মে।