বেজিং: ফের কাঁপল চিন৷ চিনের সিচুয়ান প্রদেশের গঙজিয়ান এলাকা কেঁপে ওঠে৷ ইতিমধ্যেই ৩১ জনের আহত হওয়ার খবর মিলেছে৷ রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৪৷ আহতদের দ্রুত হাসপাতালে ভরতির ব্যবস্থা করা হয়৷ তবে কেউই গুরুতর আহত হননি বলে খবর৷

জাতীয় সংবাদ সংস্থা জিনহুয়া জানিয়েছে শনিবার রাত ১০.২৯ মিনিটে কেঁপে ওঠে৷ মাটি থেকে মাত্র ১০ কিমি ভিতরে ছিল কম্পনের উৎসস্থল৷ ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে৷ চিনের ভূমিকম্প নেটওয়ার্ক সেন্টারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৭ই জুন হওয়া ভূকম্পের মতোই তীব্র ছিল এদিনের কম্পন৷ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে৷

১৭ই জুন প্রবল ভূমিকম্পের কারণে প্রাণ হারান ১১ জন। একই সঙ্গে জখম হন ১২২ জন। চিনের দক্ষিণ পশ্চিমে সিচুয়ান প্রদেশে ভয়াবহ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে সেই কম্পনের তীব্রতা ছিল ছয়। সরকারি হিসেব অনুসারে ওই ঘটনায় কমপক্ষে ১১ জনের প্রাণ যায়৷ একই সঙ্গে জখম হন ১২২ জন। বেসরকারি মতে দু’টি সংখ্যা অনেকটাই বেশি।

আরও পড়ুন : বালাকোটের পর পাক সাবমেরিন খুঁজছে Indian NAVY

চিনের ভূমিকম্প নেটওয়ার্ক সেন্টারের দেওয়া তথ্য অনুসারে, ওই দিন রাত ১০টা বেজে ৫৫ মিনিট নাগাদ অনুভূত হয় কম্পন। ওই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল মাত্র ১৬ কিলোমিটার গভীরে। ভূপৃষ্ঠ থেকে অদূরে এই কম্পনের উৎপত্তিস্থল হওয়ার কারণেই তীব্রতা বেশি ছিল এবং বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে জানা যায়৷

ঠিক কত পরিমাণ সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে তা স্পষ্ট করে জানা যায়নি৷ চিনের ভূমিকম্প নেটওয়ার্ক সেন্টারের কর্মকর্তা ও স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, যুদ্ধকালীন ততপরতায় শুরু হয় উদ্ধারকাজ। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে বিশেষ দল পাঠানো হয়। সেই সঙ্গে পাঠানো হয় ত্রান সামগ্রী।

আরও পড়ুন : ইথিওপিয়া: সেনা প্রধানকে গুলি করে খুন, অভ্যুত্থানের আশঙ্কা

এই কম্পনের ফলে অনেক জায়গায় রাস্তায় ধ্বস নামে৷ যার ফলে সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে যায়৷ সিচুয়ান প্রদেশের অধিকাংশ রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়৷ চিনের দক্ষিণ পশ্চিমের রাজ্য সিচুয়ানের ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল হিসেবে ‘সুনাম’ রয়েছে।

এর আগেও একাধিকবার এই এলাকার মাটি কেঁপে উঠেছে। ধারাবাহিক ভূমিকম্পও দেখা গিয়েছে ওই এলাকায়। তবে এত বড় মাপের কখনও ঘটেনি। রিখটার স্কেলের হিসেব অনুসারে এর আগে সর্বোচ্চ ৫.৩ মাত্রার ভূমিক্মপ হয়েছে সিচুয়ানে।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব