নয়াদিল্লি : গ্রাজুয়েশন করছেন? একসঙ্গে আলাদা কোনও বিশ্ববিদ্যালয় বা সংস্থা থেকে আরও একটি ডিগ্রি অর্জন করতে ইচ্ছুক? এতদিন সেই সুযোগ না থাকলেও এবার থেকে উচ্চশিক্ষায় ছাত্র,ছাত্রীদের জন্য নতুন দিগন্ত খুলে দিতে চলেছে সরকার।

জানা গিয়েছে, এবার থেকে নিজের দেশ হোক বা বিদেশ একসঙ্গে একই সময়ে নেওয়া যাবে দুটি ভিন্ন বিষয়ের ডিগ্রি। তবে মেনে চলতে হবে বেশকিছু সরকারি নির্দেশিকা। খুব শীঘ্রই এই সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশ করবে ইউজিসি।

কারণ, কেউই ছাত্র জীবনে অযথা সময় নষ্ট করতে চান না। এই সময় একদিকে যেমন থাকে সঠিক কেরিয়ার গড়ার লক্ষ্য তেমনই বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করার ইচ্ছা। তবে এতদিন ইচ্ছা থাকলেও সে উপায় ছিলো না। রেগুলারে একসঙ্গে দুটি বা অন্যকোনও পেশাদারী পড়াশোনায় ছিল নানা বিধিনিষেধ।

যদিও এবার থেকে সেই নিয়ম পাল্টে ফেলতে চলেছে ইউজিসি। নয়া নিয়মে বলা হয়েছে, যেকোনও ছাত্র ছাত্রীর উচ্চশিক্ষায় জয়েন্ট ডিগ্রি বা ডবল ডিগ্রি এবং টুইনিং পোগ্রাম একই একাডেমিক ইয়ারের ভারতীয় উচ্চশিক্ষা সংস্থার তরফে দেওয়া ডিগ্রির সমতূল্য হবে। ইউজিসির শিক্ষাসংক্রান্ত নয়া নির্দেশিকায় মোট চার ধরনের একাডেমিক সহযোগীতার কথা বলা হয়েছে।

1. ক্রেডিট স্বীকৃতি এবং স্থানান্তর।
2. জয়েন্ট ডিগ্রি প্রোগ্রাম।
3.ডবল ডিগ্রি প্রোগ্রাম।
4. টুইনিং ব্যবস্থা।

এই শিক্ষা ব্যবস্থায় দেশজুড়ে বিভিন্ন কলেজ, প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় গুলি বিদেশি সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা করে পড়ুয়াদের একই সময়ে দুটি ডিগ্রি অর্জন করতে সহায়তা করবে। তবে এই ব্যবস্থায় অনলাইন বা ডিসট্যান্স পদ্ধতিতে এই সুযোগ মিলবে না।

এই বিষয়ে ইউজিসি যে সমস্ত সংস্থা গুলিকে ডুয়াল ডিগ্রি প্রদানের অনুমোদন দেবে সেগুলি হল।

1. ন্যাক বা এনএএসি(NAAC) দ্বারা স্বীকৃত যেকোনও প্রতিষ্টান।
2. প্রতিষ্ঠানগুলি দ্বারা প্রাপ্ত সর্বনিম্ন স্কোর অবশ্যই ৩.০১ হতে হবে।
3. জাতীয় ইনস্টিটিউশনাল অফ র‌্যাঙ্কিং ফ্রেমওয়ার্ক (এনআইআরএফ) এর আওতায় অনুমোদিত ১০০ টি শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়
4. কিউএস-এর (QS) আওতায় থাকা যেকোনো ৫০০ টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই দ্বৈত ডিগ্রি অর্জন করা যাবে।

এই সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ছাড়াও ইউজিসির অনুমোদন রয়েছে এমন স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে এটি অর্জন করা যাবে।

শুধু তাই নয়, ইউজিসির নয়া এই শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা প্রচুর সুবিধা পাবেন। এছাড়াও এবার থেকে একসঙ্গে পাওয়া যাবে দুটি ডিগ্রি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।