ঘুরতে যেতে কে না ভালোবাসে? তবে এই মহামারীর কারণে এখন মানুষ গৃহবন্দী।

এই সময়েই মানুষ নিজের জন্যে সময় কাটাতে চান। কিন্তু সময়ে অনেকে আবার তাদের আর্থিক সম্বল হারিয়ে ফেলেছেন।

অনেকে চাকরি নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। তবে এই খারাপ সময়ে আপনার সেই সমস্ত দুশ্চিন্তা মুক্ত হতে পারে এই বিশেষ লেখাটি যদি আপনি পড়েন তবে।

শিরোনাম পড়ে অনেকেরই মনে প্রশ্ন জাগবে যে ঘুরতে যাওয়ার জন্য তো বিশাল অংকের টাকা লাগবে। কিন্তু এক্ষেত্রে যদি সেই টাকা আপনি নিজের পরিশ্রমের মাধ্যমে পান আবার সেই সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার সুযোগও আপনি পান তাহলে কেমন হয়?

আরো পোস্ট- করোনাক্রান্তরা পড়ছেন আরো এক মারণ রোগের কবলে! জানুন লক্ষণ

দুটো কাজই আপনি একসঙ্গে করতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে আপনাকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতাও দেওয়া হবে। এক দম্পতি তাদের একটি দ্বীপ দেখভালের দায়িত্ব দিতে চান কোনো একটি দম্পতিকে।

বাহামাসে (bahamas island) এই দ্বীপটি রয়েছে যা তাদের ব্যক্তিগত মালিকানাধীন। তবে যে পরিমাণ অর্থ আপনি পাবেন আপনার কাজের মাধ্যমে তা বিশাল।

এই দম্পতি ৮৮ লক্ষ টাকা দেবে পারিশ্রমিক হিসেবে সেই পরিবারকে। তবে রয়েছে কিছু শর্ত।

এই দ্বীপ যারা দেখাশোনা করবেন তাদেরকে খুব ভালোমতো অভিজ্ঞ হতে হবে। এক বছরে তাদেরকে এক লক্ষ কুড়ি হাজার মার্কিন ডলার অর্থাৎ ৮৮ লক্ষ টাকা উপার্জনের অর্থ হিসেবে দেওয়া হবে।

তবে শুধুমাত্র বাহামাস (bahamas island) নয়, পাশাপাশি ফ্লোরিডা এবং ন্যাপেলসের বাড়িগুলো তাদেরকে দেখাশোনা করতে রাজি থাকতে হবে। এর মাধ্যমে তারা এই সমস্ত জায়গায় ঘোরার সুযোগও পাবেন নিজেদের মতো করে।

বাড়িঘরের দেখাশোনার জন্য সমস্ত কাজে দক্ষ হতে হবে সেই দম্পতিকে। তাদের মধ্যে কেউ একজন রান্না জানলে আরো লাভ পাবেন তারা।

এই বিশেষ কাজগুলি করার জন্য অর্থের পাশাপাশি গাড়ি, স্বাস্থ্যগত এবং অন্যান্য অনেক সুবিধাও তারা লাভ করতে পারবেন। প্রতি সপ্তাহে সোম থেকে শুক্র সকাল আটটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত তাদেরকে কাজ করতে হবে।

তবে এটাও জেনে রাখা দরকার যে দরকার পরলে অতিরিক্ত সময়ও তাদের কাজ করার জন্য তৈরি থাকতে হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.