শেখর দুবে, কলকাতা: কলকাতা পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই আধিকারিকদের ঢুকতে চাওয়া নিয়ে রাজ বনাম সিবিআই দ্বন্দ্ব ভয়ঙ্কর মোড় নিয়েছে। এই প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য শীর্ষনেতা রাহুল সিনহা বলেন, “আমরা অনেকদিন আগে থেকেই বলে আসছি রাজ্যে গণতন্ত্র নেই। এটা ক্ষমতার অপব্যবহার।”

রবিবার বিকেলে কলকাতা পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় সিবিআই অফিসারদের। চিটফান্ড কান্ডে রাজীব কুমারকে গ্রেফতার করবে সিবিআই এরকম একটি খবর আগেই ছড়িয়েছিল সংবাদমাধ্যমে।

রবিবার কলকাতা পুলিশ কমিশনারের বাড়িতে যেতে চাইলে সিবিআই আধিকারিকদের জোর করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় কলকাতা পুলিশ।

এরপরই রাহুল বলেন, “এই ঘটনা ভারতবর্ষে প্রথম। চোর কোতয়ালকে ধরছে। সাংবিধানিকভাবেও অত্যন্ত অন্যায় কাজ। মুখ্যমন্ত্রীকে বাঁচাতেই রাজীব কুমার এইসব করেছে। তাই এখন কলকাতা পুলিশ কমিশনারের বাড়ি ছুটছেন মুখ্যমন্ত্রী। চিটফান্ডের রহস্য লুকিয়ে রয়েছে ওঁর বাড়িতে। রাজীব কুমার নিজেও একজন পুলিশ উনি তো জানেন জিজ্ঞাসাবাদ করা পুলিশের কাজ। এখন উনি যদি নির্দোষ হন তাহলে ভয় পাচ্ছেন কেন? কেনই বা সিবিআইকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দেওয়া হচ্ছে না। তার মানেই বুঝুন ডাল মে কুছ কালা হ্যায়। “

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।