নয়াদিল্লি: যারা রুটি রুজির প্রয়োজনে বা এই কোভিডকালে ভিড়ভাট্টা ও গণপরিবহনকে এড়িয়ে চলে কষ্ট করে স্কুটার কিনেছেন তাদের এখন নাভিশ্বাস ওঠার যোগাড়। যেভাবে প্রতিদিন পেট্রোলের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে সংসার চালিয়ে আর বাইক চালানোর সংস্থান থাকে না। ব্যাঙ্ক থেকে অর্থ ধার করার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে যারা এখনো বাইক বা স্কুটার কেনেননি তাদের জন্য বিকল্প পথ খোলা আছে।

সমস্যা সমাধানের নাম ই-ভেহিকল বা ইলেকট্রনিক স্কুটার। সম্প্রতি পেট্রোলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতার রাজপথে ব্যাটারিচালিত এই স্কুটার চালিয়ে অভিনব প্রতিবাদ করেন। এই ই-ভেহিকল চার্জে চলে এবং তুলনামুলক ভাবে স্বল্প ব্যয়ে অনেকদূর চলে যাওয়া যায়। সুবিধার তালিকা আরও দীর্ঘ। ই-ভেহিকল চালানোর জন্য লাইসেন্স বা নথিভুক্ত করানোর প্রয়োজন হয় না, এই ইলেকট্রনিক স্কুটার পরিবেশ বান্ধবও বটে। আজ আপনাদের জন্য রইল কিছু ভারতীয় ই স্কুটার প্রস্তুতকারী কোম্পানির নাম।

১. হিরো ইলেকট্রিক: হিরো ইলেকট্রিক ভারতের অন্যতম সেরা ই স্কুটার কোম্পানি। অনেক বছর ধরেই হিরো তার স্কুটারের আধুনিক বিভিন্ন মডেল বাজারে আনছে এবং তা যথেষ্ট জনপ্রিয় হচ্ছে। হিরোর বিভিন্ন দামের ই-স্কুটার বাজারে পাওয়া যায়। ফ্ল্যাশ, অপটিমা এদের জনপ্রিয় মডেল।

২. অ্যাথার এনার্জি: এই ব্র্যান্ডের ই স্কুটার গুলোর পারফরমেন্স তুলনামুলকভাবে ভালো। এদের স্কুটারে বিভিন্ন প্রযুক্তি যেমন টাচস্ক্রিন, এলইডি লাইট, রিভার্স এসিস্ট ইত্যাদি লক্ষণীয়। অ্যাথার ৪৫০এক্স অন্যতম জনপ্রিয় মডেল

৩. অ্যাম্পিয়ার ইলেকট্রিক: এরাও ভারতের অন্যতম সেরা ই স্কুটার প্রস্তুতকারী সংস্থা। বিভিন্ন রকমের ই স্কুটার তৈরিতে এরা সিদ্ধহস্ত। রিও, রিও এলিট, ভি সিরিজ এদের জনপ্রিয় মডেল

৪. অকিনাওা স্কুটারঃ এরা ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় স্কুটার তৈরির কোম্পানি। এদের লক্ষ্য ভারতের সব থেকে সেরা কোম্পানিতে পরিণত হওয়ার। অকিনাওা ২০১৫ সালে ভারতে এদের যাত্রা শুরু করে। ২০১৬ সালে রাজস্থানে এদের প্রথম উৎপাদন ইউনিট প্রতিষ্ঠিত হয়। আর ৩০ এদের অন্যতম জনপ্রিয় মডেল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।