স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে চালু হচ্ছে আলিপুর চিড়িয়াখানায় প্রবেশের ই-টিকিট বুকিং। প্রতিদিন পাঁচ হাজারের বেশি দর্শকের অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।

করোনাভাইরাসের প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে খুলে যাচ্ছে রাজ্যের সমস্ত অভয়ারণ্য, জাতীয় উদ্যান, ইকোটুরিজিম পার্ক। ২ অক্টোবর থেকে খুলছে আলিপুর চিড়িয়াখানা। কোডিডের যাবতীয় গাইডলাইন মেনেই চিড়িয়াখানা খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বন দফতর।

আলিপুর চিড়িয়াখানার অধিকর্তা আশিসকুমার সামন্ত জানিয়েছেন, বন দফতরের নির্দেশ অনুযায়ী, করোনা আবহে টিকিট বুকিং হবে পথ মোবাইল অ্যাপ বা অনলাইনে। তাই অ্যাপ মারফত টিকিট বুকিংয়ের প্রক্রিয়াটিতে অতিরিক্ত জোর দেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আলিপুর চিড়িয়াখানার ফেসবুক পেজ থেকে জানানো হবে। দর্শক প্রবেশের জন্য মাত্র দু’টি গেট খোলা রাখা হবে। সেখানেই ই-টিকিট স্ক্যান করালে ভিতরে প্রবেশের অনুমতি পাওয়া যাবে। টিকিট নিয়ে চিড়িয়াখানার গেটে পৌঁছলে শারীরিক পরীক্ষা করা হবে। তাতে করোনার উপসর্গ দেখা গেলে ঢুকতে দেওয়া হবে না চিড়িয়াখানর ভিতরে। টিকিটের টাকা ফেরতও পাবেন না সেই ব্যক্তি।

কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, চিড়িয়াখানার ভিতরে একটি মাস্ক কাউন্টারের পরিকল্পনাও করা হয়েছে। প্রবেশের জন্য দু’টি নির্দিষ্ট গেটে স্যানিটাইজিং টানেল বসানো হবে। দর্শকদের প্রবেশ করতে হবে তার মধ্যে দিয়েই। এছাড়াও পশুপাখিদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে নির্দিষ্ট কিছু এনক্লোজারের সামনে অতিরিক্ত নিরাপত্তা রক্ষী মোতায়েন থাকবে।

রাজ্যের পর্যটন শিল্পকে করোনা ধাক্কার ক্ষত থেকে বের করে আনতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। চিড়িয়াখানার সঙ্গে। খুলে যাচ্ছে শিলিগুড়ি সাফারি পার্কও। এমনকী অভয়ারণ্যের দরজাও খোলা হচ্ছে। তবে হাতি সাফারি করা যাহে না বলে জানানো হয়েছে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।