নয়াদিল্লি: করোনা ভাইরাস থেকে এখনো মুক্তি মেলেনি গোটা বিশ্বের। যত দিন যাচ্ছে এই ভাইরাস আরও ভয়ঙ্কর আকার নিচ্ছে । ভারতে ২০২০ সালের শুরুর দিকে মানুষ পরিচিত হয় এই মারণ ভাইরাসের সঙ্গে।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে চালু হয় নানা বিধি নিষেধ, এমনকি লকডাউন এর মতো নতুন একটি বিষয়ও। বছরের শেষে ধীরে ধীরে এই ভাইরাসের সংক্রমণ খানিকটা নিয়ন্ত্রণে আসে দেশে। তবে মানুষের সুখ সহ্য না হওয়ার কারণে ফের নতুন করে একটি দ্বিতীয় তরঙ্গের রূপ নেয় এই ভাইরাস।

প্রতিটা দিন অতিবাহিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কোভিডের দ্বিতীয় তরঙ্গের ফলে ভারতের পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে, বাড়ছে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা। গতমাসে যেখানে দৈনিক সংক্রমণ ১ লক্ষের কম ছিল, সেখানে বর্তমান সময়ে দৈনিক সংক্রমণ দাঁড়িয়েছে ২ লক্ষেরও বেশি। সংক্রমন রুখতে সরকার ইতিমধ্যে টিকা গ্রহণ পর্ব শুরু করে দিয়েছে।

করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গের ফলে সংক্রমণ অনেকগুণ বেশি ছড়িয়ে পড়ায় একাধিক রাজ্য ফের লকডাউন এবং কারফিউ পথে হেঁটেছে। সাধারণ মানুষের সুরক্ষার কথা ভেবে রাতে কারফিউ এবং উইকেন্ডে লকডাউন চালু করেছে একাধিক রাজ্যের রাজ্য সরকার। এই তালিকায় যেমন দিল্লি, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশের মতো একাধিক রাজ্যগুলি রয়েছে যারা জাতীয় প্রটোকল অনুসরণ করছে জনসাধারনের সুরক্ষার জন্য।

ভারতের রাজধানী দিল্লি ১৬ এপ্রিল থেকে মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে ছুটির দিন কারফিউ ঘোষণা করেছে। দিল্লি সরকারের তরফে এই কারফিউ দিনগুলি জনসাধারণকে বাড়ির ভিতরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছে সুরক্ষার কারণে। এর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পরিষেবাগুলির জন্য ই-পাসের ব্যবস্থা করেছে দিল্লি সরকার। আবেদনকারী এই ব্যবস্থা মিলবে দিল্লি পুলিশের পোর্টাল থেকে । কী ভাবে পাওয়া যাবে এই ই-পাস ব্যবস্থা তার একটি পর্যায় এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ই পাস পাওয়ার জন্য প্রথমে ল্যাপটপ বা স্মার্টফোন যে কোনও মাধ্যমের সাহায্যে দিল্লি পুলিশের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে, যার ঠিকানা delhipolice.nic.in ।

পাসের জন্য আবেদন করা ব্যক্তিকে ওয়েব সাইটে যাওয়ার পর মুভমেন্ট পাস অপশন এ ক্লিক করতে হবে । এই অপশনটি দ্বিতীয় সারির নিচে শনাক্ত করতে পারবে সন্ধানকারীরা।

যদি পূর্বে কোন ব্যক্তির এই মুভমেন্ট পাসের জন্য একটি অ্যাকাউন্ট থাকে তবে নতুন করে অ্যাকাউন্ট করার দরকার নেই। সেক্ষেত্রে লগইন করতে হবে আবেদনকারীদের। কিন্তু যদি কোন ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট না থাকে তবে তাকে একটি নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে এবং তার জন্য পরবর্তী পৃষ্ঠা ই-পাস অপশনে ক্লিক করতে হবে।

ই-পাস এর জন্য অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে ব্যবহারকারীকে নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন নম্বর এর তথ্য দিতে হবে। এরপর লগইন করলে আবেদনকারী একটি নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে।

নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে যাওয়ার পর আবেদনকারী ই-পাস এর জন্য ফর্মটি পূরণ করতে পারে এবং এই ফর্ম পূরণ করার জন্য ব্যবহারকারীদের সঠিক পরিচিতি পর্ব হিসেবে আধার কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স, প্যান কার্ড, ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য গুলো আপলোড করতে হবে।

ওয়েবসাইটে এই সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে গেলে ব্যবহারকারী মুভমেন্ট এর জন্য একটি এসএমএস পাবেন। সেই এসএমএস গ্রহণ করে পুনরায় লগইন করে ই-পাস ডাউনলোড করলে নিজের প্রয়োজনীয় কাজের জন্য কারফিউ দিনে কাজটি করতে পারবেন সরকারি অনুমতিতে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.