চণ্ডীগড়: করোনা ভাইরাস থেকে এখনো মুক্তি মেলেনি গোটা বিশ্বের। যত দিন যাচ্ছে এই ভাইরাস আরও ভয়ঙ্কর আকার নিচ্ছে । ভারতে ২০২০ সালের শুরুর দিকে মানুষ পরিচিত হয় এই মারণ ভাইরাসের সঙ্গে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে চালু হয় নানা বিধি নিষেধ, এমনকি লকডাউন এর মতো নতুন একটি বিষয়ও। বছরের শেষে ধীরে ধীরে এই ভাইরাসের সংক্রমণ খানিকটা নিয়ন্ত্রণে আসে দেশে। তবে মানুষের সুখ সহ্য না হওয়ার কারণে ফের নতুন করে একটি দ্বিতীয় তরঙ্গের রূপ নেয় এই ভাইরাস।

প্রতিটা দিন অতিবাহিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কোভিডের দ্বিতীয় তরঙ্গের ফলে ভারতের পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে, বাড়ছে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা। গতমাসে যেখানে দৈনিক সংক্রমণ ১ লক্ষের কম ছিল, সেখানে বর্তমান সময়ে দৈনিক সংক্রমণ দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষেরও বেশি। সংক্রমন রুখতে সরকার ইতিমধ্যে টিকা গ্রহণ পর্ব শুরু করে দিয়েছে।

করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গের ফলে সংক্রমণ অনেকগুণ বেশি ছড়িয়ে পড়ায় একাধিক রাজ্য ফের লকডাউন এবং কারফিউ পথে হেঁটেছে। সাধারণ মানুষের সুরক্ষার কথা ভেবে রাতে কারফিউ এবং উইকেন্ডে লকডাউন চালু করেছে একাধিক রাজ্যের রাজ্য সরকার। এই তালিকায় যেমন দিল্লি, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশের মতো একাধিক রাজ্যগুলি রয়েছে যারা জাতীয় প্রটোকল অনুসরণ করছে জনসাধারনের সুরক্ষার জন্য। আর এর পরে ভাইরাসের বেড়ে চলার কারণে লকডাউনের পথে হাটে হরিয়ান সরকার। ৩ মে পর্যন্ত লকডাউন থাকলেও পরিস্থিতি সংকটজনক হওয়ায় আরও ১ সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল এই রাজ্যের সরকার।

হরিয়ানা সরকারের তরফে এই লকডাউনের দিনগুলি জনসাধারণকে বাড়ির ভিতরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছে সুরক্ষার কারণে। এর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পরিষেবাগুলির জন্য ই-পাসের ব্যবস্থা কথা উল্লেখ করেছেন হরিয়ানা সরকার। এই ই-পাস ব্যবহার করে হরিয়ানার মানুষ লকডাউনে বাইরে জরুরি পরিষেবার কাজগুলি করতে পারবে। কী ভাবে পাওয়া যাবে এই ই-পাস ব্যবস্থা তার একটি পর্যায় এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথম পর্বে ই-পাসের জন্য নিজের নাম রেজিস্টার করতে হবে আবেদনকারীদের। আর সেই কাজের জন্য ফোন বা ল্যপটপের থেকে ওয়েব ব্রাউজার http://edisha.gov.in/eForms/HRMovePass ঠিকানায় প্রবেশ করতে হবে। অন্যদিকে আবার edisha.gov.in ওয়েবসাইট লগইন করা যাবে ই-পাসের জন্য।

এর পরের পর্বে ওয়েবসাইট থেকে পোঁছে যাওয়া যাবে মুভমেন্ট পাস পৃষ্ঠাতে। এই পৃষ্ঠায় একটি ফর্ম প্রদর্শিত হবে, যা নিবন্ধকরণের জন্য প্রয়োজনীয় বিশদ তথ্য পূরণ করতে হবে। ডিফল্টরূপে, বিভাগটি জরুরি পরিষেবাগুলিতে সেট করা রয়েছে। সাব-বিভাগ থেকে কোন ধরণের পরিষেবা গ্রহণ করা হবে তা নির্বাচন করতে পারেন আবেদনকারী।

আবেদন পত্রটি জমা দেবার আগে আরগ্য সেতু অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করতে হবে। নাম, বয়স, মোবাইল এবং আধার নম্বর ইত্যাদির মতো ব্যক্তিগত বিবরণ পূরণ করতে হবে ফর্মে। সর্বশেষ ধাপে পৃষ্ঠার নীচে থাকা সংখ্যার কোডটি প্রবেশ করিয়ে ই-পাসের জন্য আবেদন করে সাবমিট করলে মিলবে ই-পাস।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.