নয়াদিল্লি: উদ্যোগটা বহুদিনের। অবশেষে শনিবার থেকে কাগজহীন দফতর গড়ার দিকে আরও একধাপ এগোল কেন্দ্রীয় সরকার। এখন থেকে বার্ষিক ৯০টন কাগজ সাশ্রয় করবে সরকার। এর মধ্যে ৩.৫ কোটি পাতা সরকারি কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন গ্যাজেটের নোটিফিকেশন। তাহলে কাজ হবে কীভাবে? কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে খবর, ফিজিক্যাল প্রিন্টিংয়ের বদলে ব্যবহার করা হবে ই-পাবলিশিং। এর ফলে প্রচুর পরিমাণে গাছ যেমন বাঁচবে তেমনি রঙ, রাসায়নিক ও শক্তির ব্যবহার কমবে। (ডিজিটাল লাইব্রেরির সদস্য মাত্র ৯৯৯-এ)

কেন্দ্রীয় নগরোন্নায়ন মন্ত্রী এম বেঙ্কাইয়া নাইডু বলেন, “সমস্ত ধরণের গ্যাজেট নোটিফিকেশনের ফিজিক্যাল পাবলিশিং গত ১ অক্টোবর থেকে বন্ধ রাখা হয়েছে। এর ফলে আর পাঁচটা বিষয়ের মতো প্রচুর পরিমাণে খরচ কমে যাবে।” কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আরও দাবি করা হয়েছে, ই-পাবলিশিংয়ের ফলে প্রায় ৪০ কোটি টাকার খরচ কমে যাবে। সেইসঙ্গে যেকোনও গুরুত্বপূর্ণ নথি পাওয়ার আগে দীর্ঘমেয়াদি অপেক্ষারও অবসান ঘটবে। (কলকাতায় দেশের প্রথম ডিজিটাল লাইব্রেরি)

উল্লেখ্য, ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই ভারতকে ডিজিট্যাল ভারত হিসাবে গড়ে তুলতে প্রচার চালাচ্ছিলেন নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি। ক্ষমতায় আসার এক বছরের মধ্যেই তৈরি হয় ডিজিট্যাল লকার। এর ফলে যেকোনও গুরুত্বপূর্ণ নথি সহজেই ওই লকারে রাখার ব্যবস্থা করা যাবে। এবার সেই পথেই জুড়তে চলেছে ই-গেজেটের ই-পাবলিশিং।