তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: পেট্রোপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি অব্যাহত। তার মধ্যেই ‘গোদের উপর বিষ ফোঁড়া’র মতো হাজির অতিমারী করোনা। সব মিলিয়ে নাজেহাল অবস্থা মধ্যবিত্তের। এই অবস্থায় উচ্চ মাধ্যমিকের গণ্ডি না পেরোনো রোহিন দাস কর্মকার রীতিমত চমকে দিয়েছেন সবাইকে!

একই সঙ্গে দিয়েছেন বাইক প্রেমীদের জন্যে সুখবরও। বাঁকুড়ার ইন্দাসের শাশপুরের বাসিন্দা রোহিন! বিষ্ণুপুর শহরের শালবাগানে নিজের মোটর বাইকের ‘সকার’ তৈরির কারখানা তাঁর। আর সেই কারখানায় বসেই তৈরি করে ফেলেছেন ‘ইকো ফ্রেণ্ডলি’ একটি সাইকেল।

মাত্র এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করে প্রায় একটা দিন নিশ্চিন্তে ঘুরে বেড়ানো যায়। চলতি করোনাময় পরিস্থিতিতে একটা বড় অংশের মানুষের হাতে কাজ নেই। একটা নিজের বাইক কেনার সাধ থাকলেও সাধ্য নেই অনেকের। অন্যদিকে করোনা করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সামাজিক দূরত্ব বজায়ের কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

ফলে নানান প্রয়োজন বা কর্মক্ষেত্রে পৌঁছতে সার্বজনীন পরিবহণই একমাত্র পথ সাধারণ যাত্রীদের। তবে অনেকেই গন পরিবহণ ব্যবস্থাকে এড়াতে চাইছেন অনেকেই। আর এখানেই কাজে আসবে বিষ্ণুপুরের রোহিন দাস কর্মকারের নয়া আবিস্কার! ছোট্ট ঘরে বসে বানিয়ে ফেলেছেন স্বল্প মূল্যের ই-সাইকেল।

খুব সস্তায় ঘুরে বেড়াতে পারবেন অনেকেই। রোহিনের মতে, তাঁর এই আবিষ্কার সাধারণ মানুষের খুব কাজে লাগবে। এই ই-সাইকেল দেখতে প্রতিদিন আট থেকে আশি অনেকেই ভীড় করছেন আবিস্কারকের বাড়িতে। তার

এই আবিস্কার প্রসঙ্গে ‘আবিস্কর্তা’ রোহিন দাস কর্মকার বলেন, অনেকের সাধ থাকলেও শুধুমাত্র সাধ্যের অভাবে নিজের একটা বাইক বা স্কুটি কেনা হয়ে ওঠেনা। বরাবরই নতুন কিছু চিন্তা ভাবনা বরাবরই মাথায় ঘোরে। এই অবস্থায় সেই রকমই ভাবতে ভাবতে এই ই-সাইকেল তৈরির ভাবনা মাথায় আসে। বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ যোগাড় করে রূপ পায় বর্তমান এই ই-সাইকেলের।

কতো খরচ পড়েছে এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, মাত্র ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকাতেই তৈরি হয়েছে এই সাইকেল। তবে আগামিদিনে বানিজ্যিকভাবে উৎপাদনের ভাবনা থাকলেও এখনই তা সম্ভব নয় বলে জানাচ্ছে রোহিন! তাঁর দাবি, বিশাল এই কর্মকাণ্ড করতে প্রয়োজন সরকারি সাহায্য।

আর তাঁর কাছে এত টাকা নেই যে বাণিজ্যিক ভাবে এই সাইকেল তৈরি করার মতো মতো। বিষ্ণুপুরের মহকুমাশাসক অনুপ কুমার দত্ত বলেন, বিষয়টি ভালো লেগেছে। উনি চাইলে কর্মসাথী প্রকল্পের সুযোগ নিতে পারেন। এব্যাপারে প্রশাসনের তরফে তাকে সাহায্য করা হবে বলে তিনি জানান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।