কলকাতা: দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন(ডিভিসি) এবং নেভেলি লিগনাইট কর্পোরেশন(এনএলসি)-র  রঘুনাথপুরে  ১২০০(৬০০x২) মেগাওয়াটের তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের যৌথ উদ্যোগ দ্রুত ফলপ্রসূ হতে চলেছে ৷ শুক্রবার ডিভিসি চেয়ারম্যান অ্যান্ড্রু ডব্লিউ কে ল্যাংস্টে জানিয়েছে, এই বিষয়ে আলোচনা চলছে এবং আশা করা হচ্ছে দ্রুতই তা ফলপ্রসূ হবে৷ আপাতত কয়েকটি বিষয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছেন বলে তিনি জানিয়েছেন৷
সংস্থা সূত্রে খবর, এই বিষয়ে অনুমোদনের জন্য ডিভিসি আবেদন করেছে বাকী শেয়ারহোল্ডারদের কাছে অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খন্ডের রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রকের কাছে৷ আশা করা হচ্ছে মাসখানেকের ভিতর এইসব অনুমোদন মিলে যাবে৷ তাছাড়া কয়লা ও বিদ্যুত মন্ত্রকের এবং ব্যাংকের কাছ থেকে কিছু ছাড়পত্র নেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে ডিভিসি কর্তৃপক্ষ৷
আপাতত ভাবা হয়েছে ভবিষ্যতে এই যৌথ উদ্যোগে ৩০শতাংশ ডিভিসি-র এবং বাকী মালিকানা থাকবে এনএলসি-র দখলে৷ যদিও মালিকানার কার কথ এ বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি৷ প্রাথমিক ভাবে  ধরা হয়েছিল ২০১১ সালে এই প্রকল্পটি শেষ হবে এবং খরচ ধরা হয়েছিল ৫০০০কোটি টাকা৷ কিন্তু কাজের অগ্রগতি ধীর হওয়ায় সুদের বোঝা বহন করতে গিয়ে খরচ বেড়ে গিয়েছে প্রায় ৩৮০০কোটি টাকা৷ বর্তমানে রঘুনাথপুরের ১২০০ মেগাওয়াট প্রকল্পটির বাণিজ্যক উৎপাদন শুরু করেছে এবং বিদ্যুৎ কেনার চুক্তি রয়েছে ৫৫০মেগাওয়াটের ৷এদিকে এনএলসি কর্ণাটকে ৬৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেনার চুক্তি করেছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।