স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: সাম্প্রতিক সময়ে লোকসানে চলা রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থা ডিভিসি আবারো নতুন করে লাভের মুখ দেখতে শুরু করেছে। রবিবার বাঁকুড়ার মেজিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ঐ সংস্থার ৭২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে এসে একথা ঘোষণা করেন ডিভিসির মেম্বার সেক্রেটারি প্রবীর কুমার মুখোপাধ্যায়।

তিনি আরো বলেন, চলতি আর্থিক বছরের শেষ দু’মাস থেকে ডিভিসি এই লাভ ডিভিসির ঘরে উঠতে শুরু করেন। এদিন তিনি জানান, পূর্ব ভারতের বৃহত্তম তাপবিদ্যুৎ উৎপাদন সংস্থা হলো ডিভিসি। দীর্ঘ কয়েক বছর ডিভিসি লোকসানে চলার মূল কারণ হলো পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানের অণ্ডাল, পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর ও ঝাড়খণ্ডের কোডার্মায় তিনটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরীর কাজ চলছিল। ইতিমধ্যে অণ্ডাল ও কোডার্মায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হলেও জমি সংক্রান্ত সমস্যার কারণে রঘুনাথপুরে উৎপাদন শুরু করা যায়নি।

এছাড়াও তিনি এদিন জানান, তাপ বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি ১২০০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুমতি ডিভিসি পেয়েছে। যা প্রথম পর্যায়ে পাঞ্চেত ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ তৈরীর কাজ শুরু হতে চলেছে।

১৯৪৮ সালের আজকের দিনে কেন্দ্রীয় সরকারের স্বীকৃতি লাভ করে ডিভিসি। তারপর থেকে দেশের বিস্তীর্ণ অংশ জুড়ে নিরবিচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে আসছে এই সংস্থাটি। এমনকি সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশও ডিভিসির সরবরাহ করা বিদ্যুতের উপর অনেকখানি নির্ভরশীল। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ডিভিসির গৌরবোজ্জ্বল দিন গুলির বর্ণণা করে আগামী দিনেও ধারাবাহিকতা ও ঐতিহ্য রক্ষায় সর্বস্তরের কর্মীদের একযোগে কাজ করার আবেদন জানান। এদিন এই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে ডিভিসি কর্মী-আধিকারিকদের ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ পুরস্কৃত করা হয়।

এদিনের অনুষ্ঠানে ডিভিসির মেম্বার সেক্রেটারি প্রবীর কুমার মুখোপাধ্যায় ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ফাইনান্স কমিটির সদস্য এস. হালদার, মানব সম্পদ উন্নয়ন দপ্তরের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর অশোক কুমার ভার্মা, মেজিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চিফ ইঞ্জিনিয়ার চন্দ্রশেখর ত্রিপাঠী প্রমুখ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।