জামাইকা: করোনাভাইরাসের কারণে সারা বিশ্বজুড়েই চলছে লকডাউন৷ ফলে বাইশ গজে বন্ধ লড়াই৷ এই অপ্রত্যাশিত অবসরকে অন্যভাবে ব্যবহার করেছেন সেলিব্রিটি ক্রিকেটাররা৷ ব্যতিক্রম নন ক্রিস গেইল৷

লকডাউনে কোনও ক্রিকেটার রান্নার কাজে হাত পাকিয়েছেন তো, আবার কোনও ক্রিকেটার বাড়ির অন্য কাজে সহধর্মীনিদের সাহায্য করেছেন৷ অনেকই আবার বাড়ির মধ্যেই জিমে শারীরিক কসরত বেশি সময় কাটিয়েছেন৷ তবে এই লকডাউনে তাঁর DJ স্কিল আরও পলিশ করেছেন ‘ক্যারিবিয়ান দৈত্য’৷

মিউজিকের প্রতি গেইলের ভালোবাসা নতুন নয়৷ লেট নাইট পার্টি ও মিউজিক ভীষণ পছন্দের এই ফ্ল্যামবয়েন্ট ক্রিকেটারের৷ লকডাউনে তাই বাড়ির মধ্যেই মিউজিক সিস্টেমে ডিজে প্র্যাকটিস করেছেন বাঁ-হাতি এই ক্যারিবিয়ান ওপেনার৷ সম্প্রতি আইপিএল ওয়েবসাইটে ‘ওপেন নেটস উইথ ময়াঙ্ক’ শো-তে গেইল বলেন, ‘মিউজিক আমার ভীষণ পছন্দের৷ বাড়িতেই ডিজে প্র্যাকটিস করেছি৷ বাড়িতে আমার নিজের মিউজিক সিস্টেম রয়েছে৷ আমি সেটা বাজিয়ে প্র্যাকটিস করেছি৷’ এই শো সঞ্চালনা করেছেন ভারতীয় টেস্ট ওপেনার ময়াঙ্ক আগরওয়াল৷ ছিলেন কর্নাটকের ডানহাতি ব্যাটসম্যান লোকেশ রাহুল৷

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও মিউজিক যেন একে অপরের পরিপূরক৷ ‘ক্যারিবিয়ান ক্যালিপসো’ সারা বিশ্বে পরিচিত৷ বব মার্রলে, রিহানা, মিকি মিনাঞ্জের নাম ক্যারিবিয়ান ক্যালিপসো’র সঙ্গে উচ্চারিত হয়৷ গেইল বলেন, ‘এটা আমাদের সংস্কৃতি৷ মিউজিককে আমরা সমৃদ্ধশালী করেছি৷ প্রত্যেকেই এতে অনু্প্রাণিত৷ প্রত্যেকেই মিউজিক শুনতে পছন্দ করে৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I