স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কৃত্রিম জলাশয় গড়ে চলতি বছর দুর্গা প্রতিমার বিসর্জন দিয়েছিল ত্রিধারা সম্মিলনী। পুজো কমিটির এই অভিনব উদ্যোগে আকৃষ্ট কলকাতা পুরসভা। আগামী বছর দুর্গাপুজোয় সেই ব্যবস্থাকেই আরও বড় পরিসরে করতে চায় পুরসভা।

করোনা পরিস্থিতির জন্য ত্রিধারা সম্মেলনীর প্রধান উদ্যোক্তা কলকাতা পুরসভার প্রশাসক বোর্ডের অন্যতম সদস্য দেবাশিষ কুমার। তিনি ইট, সিমেন্ট, প্ল্যাস্টিক দিয়ে অস্থায়ী জলাধার তৈরি করে সেখানে জল দিয়ে ঠাকুরের মাটি গলানোর ব্যবস্থা করেছিলেন। এভাবেই অস্থায়ী জলাধার তৈরি করার কথা ভাবছে পুর কর্তৃপক্ষ।

কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ভাবা হয়েছে, কৃত্রিম জলাশয় অস্থায়ীভাবে তৈরি করে সেখানেই প্রতিমা বসিয়ে হোস পাইপের মাধ্যমে প্রতিমার রং এবং মাটি গলানো হবে। তারপর পড়ে থাকা কাঠামো নিয়ে ফেলা হবে ধাপায়।

ফিরহাদ জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি নিয়ে দেবাশিস কুমারকে দায়িত্ব দিয়েছেন। জল বিভাগ বিষয়টি দেখবে। আপাতত ঠিক হয়েছে, মোটামুটি যেখানে ফাঁকা জায়গা পাওয়া যাবে সেখানে এই ধরনের কৃত্রিম জলাধার বানানো হবে। পাইপের মাধ্যমে গঙ্গার জল তুলে এনে প্রতিমা ধোয়া হবে। সেক্ষেত্রে গঙ্গার ঘাটে বিসর্জনের চাপও কিছুটা এড়ানো যাবে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, এবছর আদালতের নির্দেশ ছিল, শহরের প্রধান দু’টি জলাশয় রবীন্দ্র সরোবর ও সুভাষ সরোবরে ছটপুজোর কোনও আয়োজন করা যাবে না। সেই কারণেই কলকাতার নানা প্রান্তে তৈরি করা হয় কৃত্রিম জলাশয়। এবার মোট ৪৫ টি ঘাট তৈরি করা হয়েছে যার মধ্যে রয়েছে ১৬ টি কৃত্রিম জলাশয় তৈরি করে কলকাতা পুরসভা।

মাটি খুঁড়ে, ইটের পাঁচিল গেঁথে কোথাও চার ফুট, কোথাও ছ’ফুট গভীর এই কৃত্রিম জলাশয়গুলি এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছিল, যাতে এক জন মানুষের কোমর সমান জল থাকে। কৃত্রিম জলাশয় তৈরি হওয়ায় এবার ছটপুজোয় দূষণ অনেকটাই কমছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.