স্টাফ রিপোর্টার, বারোবিশা: ৪০০ বছর পেরিয়েও ঐতিহ্যের আলোকে উজ্জ্বল বারোবিশা সরকার বাড়ির পুজো। এমন ঐতিহ্যবাহী পুজো দেখতে প্রতি বছর সরকার বাড়িতে ভিড় করেন বহু মানুষ। সরকার বাড়ির পুজোয় অষ্টমীতে পাঁঠা বলি দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। টানা ২৭ বছর ধরে এই বাড়ির পুজোর দুর্গা প্রতিমা নির্মাণ করেন একই শিল্পী বলাই পাল।

তিনি বলেন, “সরকার বাড়ির পুজোর সঙ্গে আমার জীবনের নানা স্মৃতি জড়িয়ে আছে। আমি এই বাড়ির কয়েক প্রজন্মকে চিনি। তাঁরা আমার কাজ ভালোবাসেন। তাই প্রতিবছর প্রতিমার বায়না পাই। আমিও সরকার বাড়ির দুর্গাপ্রতিমা খুবই যত্নের সঙ্গে গড়ে তুলি।”

সরকার পরিবার সূত্রে জানা যায়, রথযাত্রা দিনই দুর্গা উৎসবের আয়োজন শুরু হয়ে যায়। একটু একটু করে বাড়ির মন্দিরে প্রতিমা বানাতে শুরু করেন বলাই পাল। এর পর দুর্গাপুজো এগিয়ে আসে। ৪০০ বছর আগে ময়মনসিংহে চালু হয়েছিল সরকার বাড়ির দুর্গাপুজো।

দেশভাগের পর পরিবার চলে আসে অসম হয়ে বারোবিশায়। সেই থেকে এই বাড়িতে নিয়মিত দুর্গাপুজো হয়। পুজো উপলক্ষে সরকার বাড়িতে ভিড় জমান স্থানীয় মানুষেরা। জানা গিয়েছে, আগে প্রতিমা বিসর্জনের পর শূন্যে বন্দুকের গুলি চালাতেন বাড়ির কর্তারা। তবে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সেই প্রথা বন্ধ হয়ে যায়। প্রতিমা বিসর্জন হয় বাড়ির পুকুরে। এই পুজো এবার ৪০৫ বছরে পা দিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.