জলপাইগুড়ি: ৫০০ বছর পেরিয়ে গেলেও এখন স্বমহিমায় উজ্জ্বল জলপাইগুড়ির বৈকণ্ঠপুর রাজপরিবারের দুর্গাপুজো। জানা গিয়েছে, বহুকাল আগে জলপাইগুড়ি রাজবাড়ির দুর্গাপুজোয় নরবলি হত। ১০০ বছর ধরে পুজোর সময় নরবলি দেওয়ার পর সেই প্রথা বন্ধ হয়ে যায়। এবার এই পুজো ৫১০ বছরে পা রাখল।

জলপাইগুড়ি রাজবাড়ির পুরোহিত শিবু ঘোষাল বলেন, “জলপাইগুড়ি রাজপরিবারের পুজো নিয়ে নানা ঘটনা আমার স্মৃতিতে উজ্জ্বল। দেবীকে স্নান করানো হয় এই হরিদ্বার থেকে আনা জল দিয়ে। পুজো দেখতে আসেন সারা উত্তরবঙ্গের মানুষ। পুজোর কয়েকটা দিন খুবই ব্যস্ততা ও আনন্দের মধ্য দিয়ে কাটে।” এখন অবশ্য যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিয়ম পাল্টে গিয়েছে অনেকটাই। তবু জলপাইগুড়িবাসীর কাছে রাজপরিবারের দুর্গাপুজো আলাদা গুরুত্বের।

এই পুজো চালু করেন রাজপরিবারের সদস্য শিশু সিংহ এবং এবং সিংহ। এখন চালের গুঁড়ো দিয়ে বানানো মানব পুতুল পুরনো প্রথা মেনে বলি দেওয়া হয়। পাশাপাশি আটটি পায়রা বলি দেওয়া হয়। এছাড়া নবমী পুজোয় বলি দেওয়া হয় হাঁস, পাঁঠা ইত্যাদি। এই পুজোর বৈশিষ্ট্য হল দেবীর গলায় পরানো হয় নবরত্নের হার। পুজোর মাছ প্রসাদ হিসেবে ইলিশ, কাতলা, বোয়াল, চিতল রান্না করা হয়। শুধু জলপাইগুড়ি নয়, সারা উত্তরবঙ্গের মানুষই এই পুজো দেখতে ভিড় জমান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.