সুভাষ বৈদ্য, কলকাতা: করোনা পরিস্থিতিতে হেঁটে নয়, নেটেই পুজো দেখার পরামর্শ দিচ্ছেন গবেষকরা৷ যেভাবে সংক্রমণ বাড়ছে তাতে বাড়িতে থাকারই পরামর্শ গবেষকদের। তবে বছরের চারটে দিন বাড়িতে বসে থাকলে চলবে! পাড়ার অঞ্জলি, সবাই মিলে পুজোর ভোগ খাওয়া কি হবে! বাড়িতে বসে কি এত কিছু করা সম্ভব!

অঞ্জলি না হয় অনলাইনে দেওয়া সম্ভব! ভোগ কীভাবে খাওয়া যাবে ভাবছেন তো!! চিন্তা নেই! উপায় আছে। একে সংক্রমণ অন্যদিকে উৎসব! সুস্থ থাকাটাই সবথেকে বেশি প্রয়োজন। আর তাই বাড়িতে বসেই আরাম করে অ্যাপে টাচ করেই ভোগ খাওয়া যাবে। বাঙালি ইঞ্জিনিয়ার দেব ও তার সহকারীরা মিলে তৈরি করেছেন একটি বিশেষ মোবাইল অ্যাপ৷

তার মাধ্যমে বিনামূল্যে বাড়িতে বসেই পেয়ে যাবেন ঠাকুরের ভোগ৷ শুধু গাড়ি ভাড়া ও ডেলিভারি বয়কে ২১ টাকা দিলেই হবে৷ ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া মিলেছে বলে দাবি উদ্যোক্তাদের৷ এখনও যারা প্রিয় পুজোর ভোগ এর জন্য বুক করেননি,তাদের হাতে পঞ্চমী পর্যন্ত সময় আছে৷ এর পরে আর বুকিং নেওয়া হবে না৷ বুকিং করার পরই ভার্চুয়াল মাধ্যমে ঠাকুর দেখা থেকে শুরু করে পুজোর ভোগ হাতের নাগালে এসে যাবে শহরবাসীর৷

এই উদ্যোগে সামিল হয়েছে আপনাদের পছন্দের ওয়েব পোর্টাল kolkata 24×7.com, এছাড়া সহযোগী হিসেবে রয়েছে Hanglaatherium ও crowdnxt media art. বাঙালি ইঞ্জিনিয়ার দেব ও তার সহকারীরা মিলে যে মোবাইল অ্যাপটি তৈরি করেছেন,সেটি হল yotto.ইন (ইয়োটো)।

অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন থেকে গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে৷ ইতিমধ্যেই আইওএস (অ্যাপল) সিস্টেমেও এই অ্যাপটি চলে এসেছে।

অ্যাপটি খুললে সেখানে ‘ভোগ’ নামে একটি সেকশন থাকছে। লগ-ইন করে সেই সেকশনে প্রবেশ করতে হবে। এরপর আপনার প্রিয় পুজোর ভোগ বুক করতে পারবেন৷

কি ভাবে পৌঁছবে পুজোর ভোগ?

পুজোয় কবে কোন পুজোর মায়ের ভোগ মিলবে, সেই তালিকা দেওয়া থাকবে yotto.ইন অ্যাপে৷ সেখান থেকে পছন্দের পুজোকে বেছে নিলেই হল৷ তবে প্রতিটি পুজোরই সীমিত সংখ্যক ভোগ৷ তা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বুক করা যাবে৷ ব্যস সারা বছর মায়ের যে ভোগের জন্য অপেক্ষা করছিলেন,তা বাড়ি বসেই পেয়ে যাবেন৷

নিজের বাড়ির ঠিকানা অনুযায়ী ৩-৪ কিলোমিটার পরিধির মধ্যে যেসব বারোয়ারি এবং বনেদি পুজো ভোগ পাওয়া যাবে, তাদের নাম দেখতে পাওয়া যাবে অ্যাপে৷

শহরের বনেদি বাড়ির পুজোসহ প্রায় ২৫ টি পুজোর মায়ের ভোগ মিলবে বাড়ি বসে৷ যে সব বারোয়ারি এবং বনেদি পুজো ভোগ পাওয়া যাবে,

তা হল- (১)শোভাবাজার রাজবাড়ি (২) শোভাবাজার বড়তলা সার্বজনীন (৩)গৌরীবেড়িয়া সার্বজনীন দুর্গোৎসব (৪)দেশপ্রিয় পার্ক দুর্গোৎসব(৫) ঢাকুরিয়া সার্বজনীন (৬)হাজরা পার্ক দুর্গোৎসব(৭)বাদামতলা আষাঢ় সংঘ(৮) ভবানীপুর দুর্গোৎসব সমিতি (৯) ৬৬ পল্লী (১০) খিদিরপুর সার্বজনীন

(১১) চোরবাগান সার্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি(১২)বেহালা ৩৩ পল্লী(১৩)বেহালা নতুন সংঘ(১৪)বেলেঘাটা ৩৩ পল্লী(১৫)চক্রবেড়িয়া সার্বজনীন দুর্গোৎসব(১৬)গড়িয়া যাত্রা শুরু সংঘ(১৭)ঠাকুরপুকুর এস.বি.পার্ক সার্বজনীন (১৮)সল্টলেক এ.ই ব্লক (১৯)দমদম পার্ক সার্বজনীন(২০)কেষ্টপুর প্রফুল্ল কানন অধিবাসীবৃন্দ (২১)অর্জুনপুর আমরা সবাই (২২) সন্তোষপুর লেক পল্লী৷

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।