কলকাতা: করোনা আবহে এ বছর দুর্গাপুজো কার্নিভাল হবে না৷ কারণ ঝুঁকি নিতে চাইছেন না রাজ্য সরকার৷ তবে তৃতীয়া থেকে একাদশী পর্যন্ত ঘুরে ঘুরে দিন-রাত ঠাকুর দেখা যাবে৷ জানালেন মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোরে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

সেখানে তিনি বলেন, তৃতীয়া থেকেই ঠাকুর দেখা যাবে৷ তবে করোনা কারণে অবশ্যই মানতে হবে করোনা স্বাস্থ্য বিধি৷ মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক৷ সঙ্গে রাখতে হবে স্যানিটাইজার, বজায় রাখতে হবে সামাজিক দূরত্ব৷ এছাড়া এবার সুরক্ষার জন্য বেশি সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক রাখতে হবে পুজো কমিটিগুলিকে৷

স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য ফেস শিল্ডের ব্যবস্থা করতে হবে৷ ক্লাবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান না করাই ভাল৷ এমনকি মণ্ডপের আশেপাশেও অনুষ্ঠান নয়৷ অঞ্জলির সময় ভিড়, দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করতে হবে৷ ভিড় এড়াতে আলাদা আলাদা সময়ে সিঁদুর খেলার আয়োজন করতে বলা হয়েছে৷

পুজোর সময় ভিড় এড়াতে রাস্তায় মার্কিং,ব্যারিকেডের ব্যবস্থা করতে হবে৷ দর্শনার্থীদের এবং মণ্ডপ চত্বরে থাকা প্রত্যেকের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক৷ পুজো উদ্যোক্তা এবং পুলিশের উদ্যোগে মণ্ডপে মাস্ক রাখতে হবে৷ কেউ মাস্ক ছাড়া মন্ডপে ঢোকতে চাইলে,তাকে দেওয়ার জন্য৷

এছাড়াও পুজামন্ডপে স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে৷ পুলিশকে নজরে রাখতে হবে৷ একই দিনে সব ঠাকুর যাতে বিসর্জন না হয়৷ তাছাড়া ঘাটে ঘাটে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখতে হবে৷ পাশাপাশি স্যানিটাইজ রাখতে হবে৷

কিছুদিন আগেই দুর্গাপুজোর মণ্ডপগুলি খোলামেলা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ একইসঙ্গে মণ্ডপে একসঙ্গে অনেক দর্শক যাতে ঢুকে না পড়েন, সেই দিকে নজর রাখতে হবে৷ এবার করোনা পরিস্থিতিতে দুর্গাপুজো কমিটিকে ৫০ হাজার টাকা করে দেবে রাজ্য সরকার৷

এছাড়া পুজো কমিটিগুলি থেকে এবার কোনও দমকল ফি নেওয়া হবে না৷ দিতে হবে না ট্যাস্ক ৷ ক্যালকাটা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কর্পোরেশন বা সিইএসসি এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদ (ডব্লিউএসইবি) ৫০ শতাংশ ছাড় দেবে৷

অন্যদিকে করোনা আবহে টানা লকডাউনে হকারদের অবস্থা সঙ্গিন৷ তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার পুজোর আগে এককালীন ২,০০০ টাকা করে হকারদের দেবে৷ ৭০ -৭৫ হাজার হকার এই অনুদান পাবেন৷

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।