দেবযানী সরকার, কলকাতা : অবশেষে ঝুলি থেকে বেড়াল বেরলই। রহস্য ফাঁস হল। জানা গেল সত্যিটা। বড় মানে ক’তটা বড়, আন্দাজ হল এবার!

কবুল করল দেশপ্রিয় পার্ক সার্বজনীন৷ বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে পুজোর প্রায় দু’মাস আগেই নিজেদের ঢাক নিজেরা পেটালেন। তামাম মহানগরের সবচেড়ে বড় সত্যিটা জানালেন৷ বললেন, বিশ্বের সবথেকে বড় প্রতিমা তাঁদের মণ্ডপেই বিরাজ করবেন।

কিন্তু দেবীমূর্তির উচ্চতা কত? পুজো উদ্যোক্তারা এখনই খোলসা তা করতে চান না। বললেন ভাবতে। একটা সঙ্কেত অবশ্য দিয়েছেন৷ এই দুর্গাপ্রতিমার মুখের উচ্চতাই ১২ ফুট। তাহলে পুরো মূর্তিটি কত উঁচু?

 উঁহু। তা তো এখনই বলা যাবে না। আপনাকে ভাবতে হবে। হিসাব করতে হবে। কারণ, খুব শীঘ্রই পুজো উদ্যোক্তারা একটি প্রশ্নোত্তর প্রতিযোগিতার আয়োজন করবেন। সেখানে দর্শকদের কাছে জানতে চাওয়া হবে তাঁদের অনুমানের কথা।

মোদ্দা কথা, এবছর পুজোয় বিশালাকৃতি দুর্গা প্রতিমাই দেশপ্রিয় পার্কের একমাত্র ইউএসপি। তাই ‘এত বড়! সত্যি’র পর তাদের পরের টিজার ‘বিশ্বের সব থেকে বড় প্রতিমা’। কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার এই পুজো কমিটির অন্যতম উদ্যোক্তা৷ তিনি বললেন, ‘মূর্তির উচ্চতাই আসল চমক। তাই সেটা এখনই আমরা প্রকাশ্যে আনছি না’৷ সম্পাদক সুদীপ্ত কুমার বললেন, ‘শুধু এটুকুই বলতে পারি, বছর তিনেক আগে সল্টলেকের এফডি ব্লকে ৫২ ফুটের দুর্গাপ্রতিমা হয়েছিল৷ আমাদেরটা তার থেকেও বড় হবে৷ জানা গিয়েছে, গিনেশ বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে যাতে দেশপ্রিয় পার্ক সার্বজনীন স্থান পেতে পারে, সে বিষয়ে চেষ্টা চালাচ্ছেন উদ্যোক্তারা৷

নাকতলা উদয়ন সংঘের সঙ্গে দেশপ্রিয় পার্কের হোর্ডিং-লড়াই এতদিনে শহরবাসী জেনে গিয়েছেন। তবে সেই হোর্ডিং-তরজায় আখেরে  তাঁদেরই লাভ হয়েছে বলে দাবি করলেন দেশপ্রিয় পার্কের উদ্যোক্তারা৷ সুদীপ্ত কুমার বললেন, ‘নাকতলা উদয়ন আমাদের প্রচারকে আরও এগিয়ে দিল৷’ সত্যিই কি তাই? এর উত্তর অবশ্য পাওয়া যাবে দুর্গাপুজোর তৃতীয়া থেকে দ্বাদশী, এই ১০ দিন৷ কারণ পুজো যে এখন আর পাঁচ দিনের নেই!

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.